মেসির বিশ্বকাপ গোলরেকর্ড ভাঙবেন এমবাপ্পে, বিশ্বাস দেশমের

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২৩ জুন ২০২৬ ০৩:১৪ অপরাহ্ণ   |   ৩৮ বার পঠিত
মেসির বিশ্বকাপ গোলরেকর্ড ভাঙবেন এমবাপ্পে, বিশ্বাস দেশমের

স্পোর্টস ডেস্ক

 

বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নেওয়ার পরও লিওনেল মেসির সেই অর্জন একদিন ভেঙে যেতে পারে বলে মনে করেন ফ্রান্সের প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশম। তার বিশ্বাস, ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পেই ভবিষ্যতে সেই রেকর্ডের মালিক হবেন।
 

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১৮-তে উন্নীত করেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসি। সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তার সবচেয়ে কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমানে এমবাপ্পে, যার গোলসংখ্যা ১৬।
 

সোমবার ইরাকের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে দুটি গোল করেন এমবাপ্পে। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৬, যা জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার দীর্ঘদিনের রেকর্ড স্পর্শ করেছে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এমবাপ্পেকে নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন দেশম।
 

ফরাসি কোচ বলেন, “রেকর্ড তো ভাঙার জন্যই তৈরি হয়। সে এখন একটি প্রতীকী মাইলফলকও স্পর্শ করেছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার ১০০ ম্যাচ পূর্ণ হয়েছে। সে সবসময় গোল করেছে এবং ভবিষ্যতেও আরও গোল করবে।”
 

মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের প্রসঙ্গ টেনে দেশম বলেন, “মেসিকে দেখুন, রোনালদোকে দেখুন। এমবাপ্পে তাদের বয়স পর্যন্ত খেলবে কি না, তা আমি জানি না। তবে যতদিন সে মাঠে থাকবে এবং নিজেকে ভালো অনুভব করবে, ততদিন সে গোল করেই যাবে।”
 

তিনি আরও বলেন, “প্রতিবারই সে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙে এবং নিজেকে আরও উঁচু পর্যায়ে নিয়ে যায়। তার সেই সামর্থ্য রয়েছে।”
 

ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচটি এমবাপ্পের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করেছিল। এটি ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শততম ম্যাচ। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ম্যাচটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় খেলোয়াড়দের অপেক্ষা করতে হয়।
 

বিরতির সময় কী করেছেন জানতে চাইলে এমবাপ্পে হাস্যরসের সঙ্গে বলেন, “আমরা তাস খেলেছি।”
 

অন্যদিকে দেশম জানান, ভারী বৃষ্টিতে মাঠের অবস্থা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল এবং এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি তিনি কোচিং ক্যারিয়ারে প্রথমবার হয়েছেন।
 

তিনি বলেন, “আমরা মূলত অপেক্ষাই করছিলাম। বারবার খেলা শুরুর সময় পিছিয়ে যাচ্ছিল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল আবার ২০ মিনিট ওয়ার্ম-আপের সুযোগ পাওয়া, যাতে খেলোয়াড়দের কোনো ঝুঁকি না থাকে।”