|
প্রিন্টের সময়কালঃ ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০৫:৩২ অপরাহ্ণ

স্বামী জাপার প্রার্থী, স্ত্রী বিএনপির—কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ব্যতিক্রমী প্রতিদ্বন্দ্বিতা


স্বামী জাপার প্রার্থী, স্ত্রী বিএনপির—কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ব্যতিক্রমী প্রতিদ্বন্দ্বিতা


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

 

কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আটজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) কুড়িগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ এসব মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
 

বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী কে এম ফজলুল মণ্ডল এবং তাঁর স্ত্রী বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএনপি) প্রার্থী মোছা. শেফালী বেগম। স্বামী-স্ত্রীর ভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
 

এ বিষয়ে কে এম ফজলুল মণ্ডল দাবি করেন, তাঁদের দাম্পত্য জীবনের বিচ্ছেদ ঘটেছে। তবে শেফালী বেগম বলেন, আইনি দৃষ্টিতে ফজলুল মণ্ডল এখনও তাঁর স্বামী। দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য থাকলেও বৈবাহিক সম্পর্ক আইনিভাবে বহাল রয়েছে বলে তিনি জানান।
 

এ আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন—বিএনপির মো. আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর শেখ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর রাজু আহমেদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রুকুনুজ্জামান।
 

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বামী-স্ত্রীর ভিন্ন রাজনৈতিক ব্যানারে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘটনা এ অঞ্চলের রাজনীতিতে বিরল। এতে একদিকে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে, অন্যদিকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টি ভোটের সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে—তা নিয়েও আলোচনা চলছে। রাজিবপুরের আমিনুল ইসলাম ও এরশাদুল ইসলাম, চিলমারীর হুমায়ুন কবির ও মোসলেম উদ্দিন জানান, তারা ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়; প্রার্থীদের যোগ্যতা, রাজনৈতিক অবস্থান এবং উন্নয়ন সক্ষমতাকে বিবেচনায় নিয়ে ভোট দেবেন।
 

এদিকে জাপা প্রার্থী কে এম ফজলুল মণ্ডল অভিযোগ করেন, শেফালী বেগম আগে সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন এবং চাকরি ছাড়ার তিন বছর পূর্ণ না হতেই কীভাবে তাঁর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলো—তা তাঁর বোধগম্য নয়। অভিযোগের জবাবে শেফালী বেগম বলেন, তিনি স্বেচ্ছায় চার-পাঁচ বছর আগে শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁর স্বামীর অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬