রামুতে সেনাবাহিনী-পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার, নারী আটক

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ০৫:৪৮ অপরাহ্ণ   |   ৬৪ বার পঠিত
রামুতে সেনাবাহিনী-পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার, নারী আটক

আনোয়ার হোছাইন (নাইক্ষ্যংছড়ি) প্রতিনিধিঃ

 

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্রসহ এক নারীকে আটক করা হয়েছে। আটক নারীর নাম জেসমিন সুলতানা রিয়া (২০)।
 

বুধবার (৭ জানুয়ারি) ভোরে রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের থোয়াইংগাকাটা সামারঘোনা এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, রামু থানা পুলিশ ও গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সমন্বয়ে গঠিত একটি দল নুরুল আহমদের কন্যা জেসমিন সুলতানা রিয়ার বসতঘরে তল্লাশি চালায়।
 

অভিযান শেষে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জব্দ তালিকাভুক্ত মালামালের মধ্যে রয়েছে—একটি দেশীয় তৈরি এলজি, দুটি পুরাতন জংধরা পিস্তল, চাইনিজ রাইফেলের ছয় রাউন্ড গুলি, ছোট পিস্তলের ৪৯ রাউন্ড গুলি, চারটি ব্যবহৃত শটগানের কার্তুজের খোসা, একটি বন্দুকের বাটের অংশ, দুটি লম্বা ধারালো দা, একটি খেলনা পিস্তল, দুটি বাটন মোবাইল ফোন এবং একটি কাটার।
 

রামু থানা পুলিশ সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক জেসমিন সুলতানা রিয়া স্বীকার করেছেন, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো কুখ্যাত ডাকাত নুরুল আবছার ওরফে ল্যাং আবছার এবং ডাকাত রহিমের। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই ডাকাত দলের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগী হিসেবে যুক্ত ছিলেন বলেও স্বীকার করেন।
 

রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আটক নারী ডাকাত দলের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ মিলেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।”
 

এদিকে সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, অস্ত্র ও সন্ত্রাস দমনে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পলাতক ডাকাতদের গ্রেফতারে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
 

পুলিশ আরও জানায়, পলাতক ডাকাত ল্যাং আবছার ও ডাকাত রহিমকে গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে। আটক জেসমিন সুলতানা রিয়ার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।