সম্প্রীতি উন্নয়নে নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির মানবিক সহায়তা

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:১২ অপরাহ্ণ   |   ৪০ বার পঠিত
সম্প্রীতি উন্নয়নে নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির মানবিক সহায়তা

আনোয়ার হোছাইন, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধিঃ


 

বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)।
 

 

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ১১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মোট ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকার অনুদান ও বিভিন্ন সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
 

 

কর্মসূচির আওতায় সোনাইছড়ি ক্যাংপাড়া বৌদ্ধ বিহারে ১১০টি কম্বল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর ৩৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। জুমখোলা বৌদ্ধ বিহারের ৫২ জন শিক্ষার্থীর জন্য খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন প্রদান, দুইজনের মেয়ের বিবাহে সহায়তা, একজনের ঘর নির্মাণে আর্থিক সহায়তা, ছয়জন শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার খরচে সহায়তা এবং ১১ জন অসুস্থ ব্যক্তির উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।
 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর আশিক ইকবাল, স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ, উপকারভোগী ব্যক্তি ও বিজিবির অন্যান্য সদস্যরা।
 

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, সীমান্ত রক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনাও বিজিবির দায়িত্বের অংশ। পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে বিজিবি নিয়মিতভাবে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
 

তিনি আরও বলেন, সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সীমান্তাঞ্চলকে আরও শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাখা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 

বিজিবি সূত্র জানায়, জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি ‘অপারেশন উত্তরণ’-এর আওতায় পাহাড়ি অঞ্চলে উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে বিজিবির জনবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। শীতবস্ত্র বিতরণ, শিক্ষা সহায়তা ও আর্থিক অনুদান কর্মসূচি তারই ধারাবাহিক অংশ।