জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১৭ জুন ২০২৬ ০৪:৪৪ অপরাহ্ণ   |   ৪২ বার পঠিত
জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর গঠনমূলক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জালিল রহিমি জাহানাবাদি।

 

বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ প্রশংসা করেন।

 

এ সময় তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের সাফল্য এবং ডা. শফিকুর রহমানের বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান।

 

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক, বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিনিময়, স্বাস্থ্যসেবা এবং মুসলিম বিশ্বের সমসাময়িক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

 

বিরোধীদলীয় নেতা সাম্প্রতিক যুদ্ধে নিহত ইরানের নাগরিকদের প্রতি শোক ও সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একইসঙ্গে যুদ্ধের ফলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

 

ডা. শফিকুর রহমান যুদ্ধবিরতি ত্বরান্বিত করার স্বার্থে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করায় ইরানকে ধন্যবাদ জানান এবং শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশটির গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি এ চুক্তি কার্যকর থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

 

তিনি আরও বলেন, ইরান আগামী দিনে প্রতিবেশী মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বাংলাদেশ–ইরান সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

বৈঠকে পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠন, তেহরান-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং মেডিকেল টুরিজমসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশে একটি বিশ্বমানের হাসপাতাল স্থাপনের প্রস্তাবও উঠে আসে।

 

ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইরান আগ্রহী। তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইরান সরকারের সদিচ্ছার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।

 

বৈঠকে ইরান দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ জামায়াত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।