চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১৬ জুলাই ২০২৬ ০৬:৩২ অপরাহ্ণ   |   ৪২ বার পঠিত
চেক ডিজঅনার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন

ঢাকা প্রেস প্রতিবেদক 

 

১১২ কোটি টাকার চেক ডিজঅনারের মামলায় বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
 

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এক হাজার টাকার মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।
 

সালমান এফ রহমানের আইনজীবী মোহাদ্দেসুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ মামলার অন্য আসামিরা এর আগেই জামিন পেয়েছেন।
 

মামলার নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ (এক্সিম ব্যাংক)-এর প্রিন্সিপাল অফিসার উজ্জ্বল মণ্ডল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এতে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
 

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন এসকর্প হোল্ডিংস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান, বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ লিমিটেডের পরিচালক মাহফুজুর রহমান, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার ইমরান মণ্ডল, নির্বাহী পরিচালক মো. লুৎফর রহমান, এএফআর হোল্ডিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশকুরা খানম, পরিচালক মো. সাইফুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নাঈম মোহাম্মদ সালেহীন, পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান তানভীর এবং বেক্সিমকো হোল্ডিংস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানের ছেলে এ এস এফ রহমান।
 

অভিযোগে বলা হয়েছে, ঋণের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার পর ব্যাংকের বারবার তাগিদের প্রেক্ষিতে বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ লিমিটেডের পক্ষ থেকে ১১২ কোটি টাকার একটি চেক ইস্যু করা হয়। ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর চেকটি এক্সিম ব্যাংকের হেড অফিস করপোরেট শাখায় জমা দিলে একই দিন ‘অপর্যাপ্ত তহবিল’ (Insufficient Fund) উল্লেখ করে তা ফেরত দেওয়া হয়।
 

পরবর্তীতে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ও ১৪০ ধারার বিধান অনুযায়ী ২৬ নভেম্বর নিবন্ধিত ডাকযোগে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে চেকের অর্থ পরিশোধের আহ্বান জানানো হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
 

এর আগে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। গত ৭ মে এই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এছাড়া সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও দুর্নীতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।