স্বাস্থ্য ডেস্ক:
সাধারণ সাদা আলুর পাশাপাশি লাল আলুও দেশের বাজারে সহজলভ্য একটি খাদ্যপণ্য। রান্না, সিদ্ধ কিংবা বেক করে খাওয়া যায় এই আলু। পুষ্টিবিদদের মতে, লাল আলুর খোসায় সাধারণ আলুর তুলনায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। তাই খোসাসহ লাল আলু খেলে এর পুষ্টিগুণ আরও বেশি পাওয়া সম্ভব।
স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি বিল্ডার্জড-এর এক প্রতিবেদনে লাল আলুর বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
লাল আলু জটিল শর্করার একটি ভালো উৎস। এটি শরীরের কোষে শক্তি সরবরাহ করে এবং দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
বর্তমান সময়ে মানসিক চাপ একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। লাল আলুতে থাকা বি-ভিটামিন মানসিক চাপ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
লাল আলুতে প্রচুর পটাশিয়াম রয়েছে, যা কলার মতোই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে লাল আলু খেলে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
লাল আলু ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উৎস। এই ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা ঘন ঘন সর্দি-কাশি বা ফ্লুতে আক্রান্ত হন, তারা খাদ্যতালিকায় লাল আলুসহ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখতে পারেন।
পরিমিত পরিমাণে লাল আলু খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা মিলতে পারে। এতে চর্বির পরিমাণ কম এবং ফাইবার বেশি থাকায় এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
লাল আলুতে থাকা খাদ্যআঁশ বা ফাইবার হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকিও কমে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, লাল আলুর সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ পেতে এটি খোসাসহ রান্না বা সিদ্ধ করে খাওয়াই উত্তম।