আলীকদমে সীমান্ত সড়ক নির্মাণকাজ পরিদর্শন করলেন দুই উপদেষ্টা

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:১৫ অপরাহ্ণ   |   ১৩ বার পঠিত
আলীকদমে সীমান্ত সড়ক নির্মাণকাজ পরিদর্শন করলেন দুই উপদেষ্টা

লামা–আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিবেদক:

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম সীমান্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, আর্থসামাজিক অগ্রগতি এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে বাস্তবায়নাধীন সীমান্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেছেন সরকারের দুই মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ফাওজুল কবির খান ঢাকা থেকে আর্মি এভিয়েশনের হেলিকপ্টারে করে মেনদনপাড়া আর্মি ক্যাম্পে পৌঁছান। সেখানে ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রকল্প পরিচালক কর্নেল তানিম শাহরিয়ার তাদের স্বাগত জানান।

পরবর্তীতে সকাল ১১টা ৪৪ মিনিটে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা স্কটসহ সড়কপথে তারা পোয়ামুহুরী ইসিবি প্রকল্প ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিট থেকে ১২টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত তারা সীমান্ত পিলার–৫৭ এলাকায় চলমান সড়ক নির্মাণকাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপদেষ্টাদ্বয় প্রকল্পের অগ্রগতি, ব্যবহৃত কারিগরি পদ্ধতি এবং দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সড়ক নির্মাণের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অবহিত হন। তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দুপুরে উপদেষ্টারা পোয়ামুহুরী ইসিবি প্রকল্প ক্যাম্পের অফিসার ম্যাসে মধ্যাহ্নভোজ গ্রহণ করেন। পরে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও কৌশলগত আলোচনা করেন।

আলোচনায় সীমান্ত সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, জরুরি সেবা সহজলভ্য করা এবং দুর্গম এলাকায় রাষ্ট্রীয় উপস্থিতি জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

পরিদর্শন শেষে বিকেলে উপদেষ্টারা হেলিকপ্টারে করে রাঙামাটির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

পরিদর্শনকালে সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা।

উপদেষ্টারা বলেন, সীমান্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম জনগোষ্ঠীর সঙ্গে দেশের মূল যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। এটি উন্নয়ন ও নিরাপত্তার পাশাপাশি আস্থার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।