রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন পুলিশের একসময়ের তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্যা’ পলাশ।
গত ১২ জুন (শুক্রবার) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রামপুরা এলাকায় নিজ বাসার কাছেই দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার উন্নতি না হলে ১৪ জুন তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় থাকার পর শুক্রবার রাত ১টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহের ময়নাতদন্তসহ আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১১ জনকে নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মামলায় পিচ্চি আল আমিন, মোল্লা জনি, ফারুক চাচা, তোতলা আল আমিন ও গলদা বাদশাসহ কয়েকজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বজনদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা রামপুরা–খিলগাঁও এলাকার অপরাধ জগতের একটি গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।