পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে দ্বিতীয় দিনের মতো অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ২৪ মে যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হয়। আগের মতো এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।
রেলওয়ের সূচি অনুযায়ী, সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। একই দিনে দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
রেলওয়ে জানিয়েছে, আগামী ১৫ মে বিক্রি করা হবে ২৫ মে যাত্রার টিকিট। এরপর ১৬ মে পাওয়া যাবে ২৬ মে এবং ১৭ মে মিলবে ২৭ মে যাত্রার টিকিট। ঈদ উপলক্ষে যাত্রীচাপ সামাল দিতে বিভিন্ন রুটে ১০টি বিশেষ ট্রেনও চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে কিছু বিশেষ নিয়মও নির্ধারণ করেছে রেলওয়ে। একজন যাত্রী একবারে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন এবং একজনের নামে একাধিকবার টিকিট কেনা যাবে না। এছাড়া অগ্রিম কেনা টিকিট ফেরত বা রিফান্ডের সুযোগ থাকছে না।
তবে যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে। উচ্চ শ্রেণির কোচের ক্ষেত্রে এই সুবিধা প্রযোজ্য নয়।
বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীদের সতর্ক করে জানিয়েছে, টিকিট শুধু রেলওয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও ‘রেল সেবা’ অ্যাপের মাধ্যমেই কিনতে হবে। ফেসবুক পেজ, দালাল বা অননুমোদিত কোনো মাধ্যম থেকে টিকিট কেনাবেচা না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় প্রতারণার ঝুঁকি রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে বুধবার ২৩ মে যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হলে ব্যাপক চাপ দেখা যায় অনলাইন সার্ভারে। সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যেই প্রায় ৬০ লাখ হিট পড়ে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে সূত্র। এবার ২৫ মে থেকে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় ২৪ মে যাত্রার টিকিটের চাহিদা আরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।