স্টাফ রিপোর্ট:
রাজশাহী জেলার প্রাথমিক চিকিৎসকদের মেম্বারশিপ স্মার্ট আইডি কার্ড ও সনদ প্রদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রাথমিক চিকিৎসক ফাউন্ডেশন (বিপিসিএফ) রাজশাহী জেলা শাখা ও আইডিয়াল ফাস্ট এইড ট্রেনিং সেন্টার, রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
গত ১০ জানুয়ারি (শনিবার) সকাল ১০টায় নগরীর বর্ণালী মোড় এলাকায় নিউ ইন্ডিয়ান ভিসা অফিসের পেছনে অবস্থিত আইডিয়াল ফাস্ট এইড ট্রেনিং সেন্টার রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাজশাহী জেলার শিল্পনগরী কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল আজিম। এতে সভাপতিত্ব করেন পাবলিক সার্ভিস রাজশাহীর সিনিয়র সহকারী সচিব মো. যোবায়ের হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক চিকিৎসক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম রিপন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রাথমিক চিকিৎসক ফাউন্ডেশনের চিফ কোর্স কো-অর্ডিনেটর আমিনুল ইসলাম (বুলবুল), বিপিসিএফ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, এ এস এম কামাল উদ্দিন, রিপাবলিক নিউজ লাইভের নিউজ এডিটর আব্দুল্লাহ আল হিমেল এবং মো. শাহরিয়ার হোসেন।
বাংলাদেশ প্রাথমিক চিকিৎসক ফাউন্ডেশন ও আইডিয়াল ফাস্ট এইড ট্রেনিং সেন্টার রাজশাহী শাখার কোর্স কো-অর্ডিনেটর মো. নাইমুর রহমান (সাকিব) এর সঞ্চালনায় এবং পরিচালক মো. মেহেদী হাসান ও ইমরানের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, দেশের গ্রাম ডাক্তার ও প্রাথমিক চিকিৎসকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয়। মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তারা নিরলসভাবে মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসকদের সেবাই ছিল গ্রামাঞ্চলের মানুষের প্রধান ভরসা। প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রাথমিক চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা গ্রামীণ জনগোষ্ঠী সবচেয়ে ভালোভাবে উপলব্ধি করে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথি আমিনুল ইসলাম (বুলবুল) বলেন, গভীর রাত, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রাথমিক চিকিৎসকরা মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত রিফ্রেশার্স ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হলে গ্রামীণ জনগণ আরও মানসম্মত সেবা পাবে। এ লক্ষ্যে গ্রামীণ ও প্রাথমিক পল্লী চিকিৎসকদের দক্ষতা উন্নয়নে সরকারের আন্তরিক দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল ও সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়। পরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রাথমিক চিকিৎসকদের হাতে সনদ ও মেম্বারশিপ স্মার্ট আইডি কার্ড তুলে দেওয়া হয়।