বৃহস্পতিবার এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর সোনালী জৈন-চন্দ্র।
তিনি বলেন, আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সচল রাখতে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার যথাসময়ে বাস্তবায়ন করতে হবে।
বাংলাদেশের জন্য নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবেই এসব বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নের বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছে আইএমএফ। পাশাপাশি এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতিও পর্যবেক্ষণ করছে সংস্থাটি।
নতুন ঋণ কর্মসূচির আলোচনায় রাজস্ব ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আর্থিক খাতের বিদ্যমান সমস্যার সমাধান এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।