চুরি-দুর্নীতির চেয়ে ভোট ভিক্ষা করা বেশি সম্মানের: হাসনাত আবদুল্লাহ

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৬:৩০ অপরাহ্ণ   |   ৩৮ বার পঠিত
চুরি-দুর্নীতির চেয়ে ভোট ভিক্ষা করা বেশি সম্মানের: হাসনাত আবদুল্লাহ

কুমিল্লা প্রতিনিধি —



চুরি ও দুর্নীতি করার চেয়ে ভোট ভিক্ষা করা বেশি সম্মানের বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।

 

রোববার দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বড় শালঘর ইউনিয়নের সৈয়দপুর বাজারে আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রা ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
 

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের কোনো গুন্ডা-পান্ডা নেই। আমাদের পক্ষ থেকে কেউ কাউকে ফোন করে ভয়ভীতি দেখাবে না। প্রোগ্রামে আসতে হবে—না এলে বাসা থেকে তুলে আনার মতো সংস্কৃতিতেও আমরা বিশ্বাস করি না। আমরা ভালোবাসা নিয়ে মানুষের কাছে যাব। প্রয়োজনে পায়ে ধরে ভোট ভিক্ষা চাইব। কারণ চুরি করা, দুর্নীতি করা কিংবা অবৈধ পথে সম্পদ অর্জনের চেয়ে ভোট ভিক্ষা করাই বেশি সম্মানের।’
 

তিনি সবাইকে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘গণভোটে “হ্যাঁ” জয়ী হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে এবং মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত হবে। যারা দুর্নীতিমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ চান, সুশিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চান এবং স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন চান—তাদের সবাইকে “হ্যাঁ” ভোট দিতে হবে। এর মাধ্যমে দুইবারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না।’
 

এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবার আগে দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। এবারের নির্বাচন হবে দুর্নীতিবিরোধী নির্বাচন, চাঁদাবাজমুক্ত হওয়ার নির্বাচন এবং ঋণখেলাপিদের সংসদের বাইরে পাঠানোর নির্বাচন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে মাঠে নেমে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।’
 

গণসংযোগের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মানুষ স্বেচ্ছায় আমাদের সহায়তা করছে। কেউ টাকা দিচ্ছে, কেউ খাবার বা ভালোবাসা দিচ্ছে। কারণ তারা মনে করে আমরা সৎ ও স্বচ্ছ। আমরা লুকাই না—যেটুকু পারব, সেটুকুই স্পষ্ট করে বলি। মানুষ যদি মনে করে আমরা তাদেরই প্রতিনিধি, তাহলে তারা আমাদের পাশে থাকবে।’
 

পদযাত্রা ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।