পটিয়ার ১৭ ইউনিয়নে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সমাপ্ত

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১৯ আগu ২০২৬ ০৮:৫৮ অপরাহ্ণ   |   ১৮০ বার পঠিত
পটিয়ার ১৭ ইউনিয়নে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সমাপ্ত

২৫ কোটি চারা রোপণ কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান

 

আবদুল হাকিম রানা, দক্ষিণ চট্টগ্রাম :



চট্টগ্রামের পটিয়ায় উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে উপজেলার ১৭ ইউনিয়নের ১৫৩টি ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের লড়িহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন করা হয়।

 

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান ফয়সাল। প্রধান অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব কামাল উদ্দিন। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আবু ছালেহ মুহাম্মদ সাইফুদ্দিন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হাসান।
 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আবু বক্কর সুজন, মো. জসীম উদ্দীন, হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন এবং শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আবছারসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব কামাল উদ্দিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সুযোগ্যপুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে পটিয়ার ১৭ ইউনিয়নের ১৫৩টি ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
 

তিনি বলেন, পটিয়ার এমপি আলহাজ্ব এনামুল হকের নির্দেশনায় পুরো উপজেলায় এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের নেতাকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এ জন্য তিনি সংগঠনের সব কর্মকর্তা ও সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
 

প্রধান বক্তা আবু ছালেহ মুহাম্মদ সাইফুদ্দিন বলেন, ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী।’ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গঠনমূলক সব ধরনের কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিতে হবে।
 

অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন স্থানে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।