খাগড়াছড়িতে কৃষক পর্যায়ে এলএসটিডি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পাইলটপাড়া প্রযুক্তি গ্রামে কৃষকদের মাঝে এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির উদ্যোগে বোরো মৌসুমের বীজ সংরক্ষণের জন্য ২০টি এলএসটিডি বীজ সংরক্ষণ পাত্র কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. জাহিদুল ইসলাম ও ড. মো. আবুবকর সিদ্দিক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মীর ওবায়দুর রহমান শাওন।
ব্রি উদ্ভাবিত আধুনিক উচ্চফলনশীল ধানের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে কৃষকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এর আগে কৃষকদের মাঝে ব্রি ধান-১০০, ১০২, ১০৪, ১০৮ ও ব্রি ধান-১১৪ জাতের বীজের পাশাপাশি সার, কীটনাশক, ছত্রাকনাশক এবং সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে উৎপাদিত মানসম্পন্ন বীজ সংরক্ষণের জন্য এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে এসব সংরক্ষণ পাত্র প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সিরাজুল ইসলাম কৃষকদের সঠিক নিয়মে বীজ সংরক্ষণের কৌশল সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেন। তিনি উন্নতমানের বীজ নির্বাচন ও সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, কৃষকদের নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি স্থানীয় অন্যান্য কৃষকদের জন্যও মানসম্পন্ন বীজ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
স্থানীয় কৃষকেরা বীজ সংরক্ষণ পাত্র পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণ ও ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দেন।
আয়োজকরা জানান, এর আগে আমন মৌসুমেও এই প্রযুক্তি গ্রামে ১০টি বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করা হয়েছিল। ভবিষ্যতেও এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি বর্তমানে আউশ মৌসুমে ওই প্রযুক্তি গ্রামে ১৫ জাতের ধানের রাইস গার্ডেন স্থাপন এবং ১৫ একর জমিতে প্রায়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির | প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬