সাংবাদিকতায় একটি স্বত:সিদ্ধ কথা রয়েছে: শুদ্ধতা হচ্ছে এ পেশার প্রধান অঙ্গ

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১৯ মার্চ ২০২৫ ০৩:০১ অপরাহ্ণ   |   ১৪৬ বার পঠিত
সাংবাদিকতায় একটি স্বত:সিদ্ধ কথা রয়েছে: শুদ্ধতা হচ্ছে এ পেশার প্রধান অঙ্গ

রিফাত হোসাইন সবুজ:-

 

আত্মসমালোচনা ছাড়া কোনো মানুষ সংশোধিত হয় না। তাই নিজ পেশার হতশ্রী অবস্থা নিয়ে গঠণমূলক কথা না হলে বা বুঝলে আমরা শুদ্ধ হবো না। সাংবাদিকতায় একটি স্বত:সিদ্ধ কথা রয়েছে: শুদ্ধতা হচ্ছে এ পেশার প্রধান অঙ্গ। সাংবাদিকতা বাণিজ্যের’ ভিড়ে তা আজ ক্রম অপসৃয়মাণ। অনেকাংশেই পঙ্গু হয়ে যাওয়ার উপক্রম মূল অঙ্গ। প্রতিদিন নতুন নতুন চেহেরা দেখছি, নতুন নতুন মিডিয়া দেখছি। নামগুলোও বহুরুপী।
 

নামে বেনামে মিডিয়া বাড়ছে। কয়টা যে সঠিক প্রক্রিয়ার অনুমোদন নেয়া বলা বাহল্য। সংবাদকর্মী অনেক কিন্তু লেখক কয়জন আছে আমাদের চারপাশে? কোয়ালিটির কথা নাইবা বললাম। সবাই সমান হবেনা কিন্তু নূন্যতম ব্যক্তিত্ব বজায় রাখার চেষ্টা থাকতে হবে। যারা নিরবে কাজ করে যায়, তারা নিজেদের জাহিল করেনা। তারা নিরবই থেকে যায়। অনেক ঘটনায় তো দেখি অনেক স্থানে।  অন্য পেশা থেকে রাতারাতি গলায় কার্ড ঝুলিয়ে মস্তবড় সাংবাদিক হয়ে গেছেন। তাতে অভিজ্ঞতাও লাগেনা। আর যত্রতত্র মিডিয়ার খুলে বসেন মুদি দোকানের মত করে যারা তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই যথাযথ মন্ত্রনালয়ের কোন ভূমিকা। আবার সেই মহাশয়ইরাই বিভিন্ন দপ্তরে স্যার, জনাব, ভাই, ব্রো ডোকে তাদের কাছে অতি পরিচিত হয়ে গেছেন। বুকে হাত রেখে নিজের কাজের মূল্যায়ন নিয়ে ভাবতে হবে। আসলে আরও গভীরভাবে বলতেও কেমন জানি অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে। ভুলত্রুটি সবারই থাকবে এবং হয়। তবে নিজেদের সুন্দর অবস্থান ও কাজকে প্রাধান্য দিয়ে পেশাগত কাজটির দিকে মনোযোগি হওয়া উচিত। নইলে আগামীতে নিজেদের অপেশাদার কার্যক্রমের ফল ভুগতে হবে মারাত্বকভাবে।  কেউ ব্যথিত হলে ক্ষমা করবেন। আমরা চাই,  পেশাটি নির্ভীক চেহারায় ফিরে আসুক। আর এ পেশার সাথে যারা জড়িত তাদের যেন কলম চলে সঠিকভাবে। অতিরিক্ত কপি-পেষ্টকে এড়িয়ে, দৈনন্দিন ঘটনাপ্রবাহ, বিশেষ, অনুসন্ধানী কাজের মনোভাব নিয়ে, কার্ড ঝুলিয়ে আর সাংগঠনিক নেতা ভেবে জাহিল না করে কাজে, কর্মদক্ষতায় অস্তিত্বকে জানান দিতে হবে। বজায় যেন থাকে মানগত দিক। মনে রাখবেন নিজেদের মধ্যে যত বিবাদ হবে ততই অনেক জনাবরা একটু হলেও মুসকি হাসি দিবে আর ইয়েস স্যার, জ্বী স্যার হ্যা স্যারে যত ব্যস্ত থাকবেন তখন বুঝে নিবেন নিরবে অনেক কিছুই হয়ে গেছে যা কলমের মাধ্যমে উঠে আসার দরকার ছিল।