বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরেছেন। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমানোর জন্য সরকারের পদক্ষেপগুলি তিনি তুলে ধরেছেন।
গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি:
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি: প্রায় ৬০ লাখ সৌর হোম সিস্টেম ইনস্টল করা হয়েছে এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ লাখেরও বেশি উন্নত চুলা বিতরণ করা হয়েছে।
- মুজিব ক্লাইমেট প্রোসপারিটি প্ল্যান (এমসিপিপি): এটি ২০২৩ সালে চালু করা হয়েছিল যাতে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় অভিযোজন ও প্রশমন কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি বঙ্গবন্ধুর দৃষ্টিভঙ্গি: শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে উপকূলীয় বনায়ন এবং ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি চালু করেছিলেন, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় তার দূরদর্শিতার প্রমাণ।
- অভিযোজন কার্যক্রম: বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং ২০০৯ সাল থেকে ৯৬৯ টি প্রকল্পে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হয়েছে।
- সাম্প্রতিক অর্জন: ২০২৩ সালের ঘূর্ণিঝড় মোখায় কোনো প্রাণহানি হয়নি, যা জলবায়ু ঝুঁকি হ্রাসে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রমাণ।
- বনায়ন: গত ১৫ বছরে, প্রায় ১.২৭ মিলিয়ন হেক্টর বনায়ন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ৮৯,৮৫৩ হেক্টর উপকূলীয় বন।
- জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য পুনর্বাসন: কক্সবাজারে বিশ্বের বৃহত্তম "খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয় প্রকল্প" নির্মাণ করা হয়েছে এবং ৪২ লাখ মানুষকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, দেশ টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির | প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫