ঘি খাওয়ার বিষয়ে সঠিক তথ্য

অনলাইন ডেস্ক,ঢাকা প্রেস:-
ঘি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও, সবার জন্য নয়
ঘি অনেকের কাছেই একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে পরিচিত। এতে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে-সহ অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। ঘি স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে এবং অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। তবে, সবাইকেই ঘি খাওয়া উচিত নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঘি খাওয়া বিপরীত প্রভাব ফেলতে পারে।
কাদের ঘি খাওয়া উচিত নয়?
- পেটের সমস্যা থাকলে: যাদের প্রায়ই পেট ফোলা, বদহজম, গ্যাসের সমস্যা বা গলব্লাডারের সমস্যা হয়, তাদের ঘি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। অতিরিক্ত ঘি খেলে এই সমস্যাগুলো আরও বাড়তে পারে।
- ওজন কমানোর চেষ্টা করলে: যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য ঘি খাওয়া খুব একটা ভালো নয়। ঘিতে অনেক পরিমাণে ফ্যাট থাকে, যা শরীরে জমে ওজন বাড়াতে পারে।
- লিভারের সমস্যা থাকলে: লিভারের রোগীদের জন্য ঘি খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। ঘিতে থাকা ফ্যাট লিভারকে ক্লান্ত করে তুলতে পারে এবং লিভারের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
- উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে: যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তাদের ঘি, মাখন বা অন্য কোনো তেল খাওয়া উচিত নয়। যদিও ঘি ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, তবে অতিরিক্ত ঘি খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।
ঘি একটি পুষ্টিকর খাবার হলেও, সবার জন্য এটি উপকারী নয়। যাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, বিশেষ করে পেট, লিভার বা হৃদরোগের সমস্যা, তাদের ঘি খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সুস্থ থাকতে সব ধরনের খাবারই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
মনে রাখবেন: এই তথ্য কেবল সাধারণ ধারণার জন্য। কোনো ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির | প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫