|
প্রিন্টের সময়কালঃ ০৪ এপ্রিল ২০২৫ ১০:২৯ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ০৩ জুন ২০২৪ ০১:২০ অপরাহ্ণ

ডিটক্স ওয়াটার তৈরির সহজ কৌশল


ডিটক্স ওয়াটার তৈরির সহজ কৌশল


বর্তমান সময়ে ডিটক্স ওয়াটারের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ওজন কমানো এবং দেহের টক্সিন উপাদান দূর করার জন্য পানীয় হিসেবে অনেকেই ডিটক্স ওয়াটার পান করেন। এটি শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে সক্ষম। তবে অনেকেই জানেন না খুব সহজে ডিটক্স ওয়াটার তৈরি করা সম্ভব। মার্কিন স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েব সাইট হেলথলাইনে ডিটক্স ওয়াটার তৈরির সহজ কৌশল দেয়া হয়েছে। ডিটক্স ওয়াটারে জুস বা স্মুদির মতো ফল কিংবা সবজি ব্লেন্ড করে বা রস চেপে না নিয়ে বরং টুকরা করে দীর্ঘ সময় ধরে ডুবিয়ে রাখা হয় পানিতে। এতে পানিতে ফল, সবজি ও হার্বসের ফ্লেভার মিশে যায়। এটা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। 

 

ডিটক্স ওয়াটার বানানো খুব সহজ। এজন্য প্রথমে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি নিতে হবে। নিজে পছন্দমতো ফল, সবজি ও হার্বস নিতে পারেন। সবজির ক্ষেত্রে টমেটো, শসা কিংবা কাঁচা খাওয়া যায় এমন সবজি নির্বাচন করতে হবে। সঙ্গে আদা, পুদিনা, দারুচিনি, তুলসী ইত্যাদি ব্যবহার করলে স্বাদে ভিন্নতা আসবে। ডিটক্স ওয়াটারে ফল কিংবা সবজি যাই দিন না কেন খোসাসহ দিতে হবে। তাই ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে যে উপকরণ আপনি ব্যবহার করবেন।

 

এবার উপকরণগুলো টুকরো করে পানিতে সবকিছু মিশিয়ে কয়েক ঘণ্টা রাখতে হবে। অনেকে সারারাত রেখে দেন। ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত রেখে পান করা যায় ডিটক্স ওয়াটার। পানিতে দ্রুত স্বাদ পেতে উপকরণগুলো একটু থেঁতলে নিতে পারেন। ডিটক্স ওয়াটারে উপকরণ একেবারে মিশে যায় না তাই ক্যালরি যোগ হয় না বলা যায়। জুস বা ফলের রস খেলে ওজন বাড়ার যে চিন্তা সেটা ডিটক্স ওয়াটারে নেই। এতে সহজে পুষ্টি মিলে। অনেকেই সকালে খালি পেটে ডিটক্স ওয়াটার পান করেন। তবে খালি পেটে ডিটক্স ওয়াটার না পান করাই ভালো। কারণ, অ্যাসিডিটির সম্ভবনা থাকে এতে। বিশেষজ্ঞদের মতে সকালের খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর ডিটক্স ওয়াটার গ্রহণ করাই ভালো। 


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫