|
প্রিন্টের সময়কালঃ ০৪ এপ্রিল ২০২৫ ১০:৫৫ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ০৭ মে ২০২৩ ০৩:৩৫ অপরাহ্ণ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র্যাগিং প্রতিরোধে কমিটি গঠন, নীতিমালা অবিলম্বে কার্যকর


শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বুলিং ও র্যাগিং প্রতিরোধে কমিটি গঠন, নীতিমালা অবিলম্বে কার্যকর


ঢাকা, মে ২০২৩ (বাসস): দেশের কোন  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, অশিক্ষক, কর্মচারী শিক্ষার্থী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বুলিং ্যাগিংয়ে জড়িত থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার ( মে) সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে নীতিমালা জারি করেছে। এই নীতিমালা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য  প্রযোজ্য হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ্যাগিংয়ে জড়িত ব্যক্তিদের ফৌজদারী আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই নীতিমালাশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ্যাগিং  প্রতিরোধসংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৩ নামে অভিহিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এই নীতিমালা দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে। জনস্বার্থে এই নীতমালা জারি করা হয়েছে এবং অবিলম্বে তা কার্যকরা হবে।

প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতি বা সদস্যরা ্যাগিংয়ে জড়ালে তাদের বিরূদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালাটি বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তর, শিক্ষাবোর্ডসমূহ, মঞ্জুরি কমিশন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে পাঠানো হয়েছে।

বুলিং ্যাগিং প্রতিরোধে কর্তৃপক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের করণীয় সম্পর্কে নীতিমালায় বলা হয়েছে, বুলিং ্যাগিংকে উৎসাহিত করা হয়, এরূপ কোনো কার্যকলাপ, সমাবেশ বা অনুষ্ঠান করা যাবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেসব জায়গায় বুলিং ্যাগিং হওয়ার আশঙ্কা থাকে, সেসব জায়গায় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা করবে।

প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তিন থেকে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট বুলিং ্যাগিং প্রতিরোধ কমিটি করতে হবে। কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, এমনকি পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে এসংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া গেলে, প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।  প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

বুলিং ্যাগিংয়ের উদাহরণ এবং পরিণতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটে এবং প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে  পোস্টারের মাধ্যমে প্রচারণা চালাবে। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে একদিনবুলিং ্যাগিং  প্রতিরোধ দিবস পালন করে বুলিং ্যাগিংয়ের কুফল সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সচেতন করবে।

বুলিং ্যাগিংয়ের কুফলসম্পর্কিত সিনেমা, কার্টুন, টিভি সিরিজ  প্রদর্শন, অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণের ব্যাপারে অনলাইন বিহেভিয়ার সম্পর্কিত কর্মশালা ইত্যাদিসহ সহপাঠ্যক্রমিক কর্মশালা আয়োজনের নিমিত্তে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে। কর্তৃপক্ষ বুলিং ্যাগিং  প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদেরএক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিজ- অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করবে।

বুলিং ্যাগিং নীতিমালা বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ নিয়মিত বুলিং ্যাগিং বিষয়ে পরীবীক্ষণ করবেন এবং নীতিমালা  বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫