চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ: শপথ কাল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এখন সবার নজর বঙ্গভবনের দিকে। দেশের পরবর্তী সরকার গঠন এবং নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে।
শনিবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যেই নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিতে পারে। দীর্ঘ ২৪ বছরের বিরতি শেষে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতার অপেক্ষা। আগামী ৭২ থেকে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হতে পারে নতুন মন্ত্রিসভার জাঁকজমকপূর্ণ শপথ অনুষ্ঠান।
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ এই সম্ভাব্য সময়সূচির কথা জানান। তিনি বলেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ যে কোনো সময় শপথ আয়োজনের জন্য প্রস্তুত। সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং সংসদ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হলেই রাষ্ট্রপতি সুবিধাজনক সময়ে মন্ত্রিসভাকে শপথ পড়াবেন। আমরা আশা করছি আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। নির্বাচনি ফলাফলের পর এটি নিশ্চিত যে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান হতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। দলের পক্ষ থেকে আগেই এই ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।
২০০৬ সালে ক্ষমতা ছাড়ার ২০ বছর পর এবং দীর্ঘ প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশে ফেরার পর তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত গেজেট অনুযায়ী, ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে— বিএনপি ২০৯টি আসন (এককভাবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা)। বিএনপি জোট ও মিত্র আরও ৩টি আসন (সর্বমোট ২১২)। জামায়াতে ইসলামী ও মিত্র (১১-দলীয় জোট) ৭৭টি আসন (জামায়াত এককভাবে ৬৮টি)। অন্যান্য ও স্বতন্ত্র বাকি আসনগুলো। স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় তাদের চূড়ান্ত আসন সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শপথ অনুষ্ঠানের চিরাচরিত প্রথা অনুযায়ী, বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি এই শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, এবারের অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এতে দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও যোগ করেন, যদি বিশেষ প্রয়োজনে আগামীকাল বা পরশুও শপথের নির্দেশ আসে, আমাদের সেই সক্ষমতাও রয়েছে। তবে সংসদীয় রীতিনীতি মেনে সংসদ সদস্যদের শপথ ১৬ ফেব্রুয়ারি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার পরপরই মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে।
দুই যুগ পর ক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি। ভোটাররা যে বিপুল ম্যান্ডেট দিয়েছেন, তার মূলে রয়েছে অর্থনৈতিক সংস্কার এবং সুশাসনের প্রত্যাশা। রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মতে, নতুন মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন এবং তারেক রহমান কোন কোন চমক দেখান, তার ওপরই নির্ভর করছে আগামী পাঁচ বছরের পথচলা।
নতুন সূর্যোদয়ের পথে বাংলাদেশ, সোমবার শপথের সম্ভাবনা : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথ সুগম হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই চূড়ান্ত ঘোষণার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দুই দশকের রাজনৈতিক অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতার মসনদে ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের নাম ও পরিচয় সংবলিত আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এই গেজেটটি জারি করা হয়। এর মাধ্যমে নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণ এবং পরবর্তী সরকার গঠনের পথে থাকা আইনি ও সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গেজেটে নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম, পিতা/স্বামীর নাম, মাতার নাম এবং পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা বা ‘জুলাই চার্টার’ নিয়ে অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফলের গেজেটও একই সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশিত গেজেট ও নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফল নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি এককভাবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল এবং প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ আসনের গেজেট পরে প্রকাশ করা হবে।
সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কারের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোটে দেশের মানুষ বিপুলভাবে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করেছেন। গেজেটের তথ্যমতে:
এই রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কমানোর মতো মৌলিক সংস্কারগুলোর পথ উন্মুক্ত হলো।
গেজেট প্রকাশের পর পরবর্তী প্রধান ধাপ হলো সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল সোমবার বা মঙ্গলবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ হতে পারে।
বর্তমানে দ্বাদশ সংসদের স্পিকারের অনুপস্থিতিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এই শপথ পড়াবেন বলে সম্ভাবনা বেশি। যেদিন সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন, সেদিনই বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নিতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
নির্বাচন কমিশন সচিব জানান, এবারের নির্বাচনে ৫৯.৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা গত দেড় দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। তরুণ প্রজন্মের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং নির্বিঘ্ন পরিবেশ এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে দাবি করেছে ইসি।
রাজধানীর প্রতিটি মোড়ে ও চায়ের আড্ডায় এখন কেবলই নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ আর আগামীর সংস্কারের আলোচনা। প্রায় দুই যুগ পর বিএনপি আবার এককভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বইছে খুশির আমেজ।
নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবে ১ হাজার অতিথি : বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ মোট ১ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।
শনিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় সংসদের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিন সময়ের মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ হয়, সংসদ সদস্য হিসেবে। এই তিন দিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে... পরশু... আজকে ১৪... ১৫, ১৬ বা ১৭ পর্যন্ত আমরা ধরতে পারি, কারণ কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ তারিখের মধ্যে তাদের শপথগ্রহণ হবে।
তিনি বলেন, এই শপথগ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে তার এই ঘটনাটি জানিয়ে দেবেন যে, তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। রাষ্ট্রপতি তখন তাকে নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ দান করবেন। এরপরে একটা সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে সে সময় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমরা আশা করছি তিন দিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ হয়ে যাবে। শপথের জন্য প্রস্তুত কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তুতি আছে, আবার যদি বলা হয়, না আমরা ওই তিন দিন পর হবে সেটারও প্রস্তুতি আছে।
সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন তার কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটা দেখেন সংসদ সচিবালয়। আপনি জানতে পেরেছেন কী এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যেটা জানতে পেরেছি ইনফরমাল, সেজন্য এটা আমি বলতে চাইছি না। এখানে নানান রকমের অপশন আছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ দিতে পারেন। তারা যদি কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার তিনিও এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন। মন্ত্রিসভার সদস্যদের কে শপথ পাঠ করাবেন জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পড়ান, তিনিই মন্ত্রিপরিষদের শপথ পড়াবেন।
তারেক রহমানের শপথে মোদিকে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা : বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। বিএনপির একধিক সূত্রের বরাত দিয়ে শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতার মাঝে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে বলেছে, ঢাকায় তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণের প্রস্তুতি চলছে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মূল আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় থাকবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে টেলিফোনে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে বিএনপি প্রধানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
পোস্টে মোদি লিখেছেন, ??‘‘তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে আমি আনন্দিত। আমি তাকে বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।’’
দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে ভারতের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন থাকা দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে আমি উভয় দেশের জনগণের শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতি ভারতের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।’’
সূত্র বলেছে, বিএনপির শীর্ষ নেতারা তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক সব রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন; যাতে অনুষ্ঠানটিকে কূটনৈতিক সংযোগের একটি মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
যদি আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ পাঠানো হয় এবং তা গ্রহণ করা হয়, তাহলে মোদির উপস্থিতি ঢাকায় নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের অধীনে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট তারিখ কিংবা কোনো বিদেশি নেতার উপস্থিতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির | প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬