|
প্রিন্টের সময়কালঃ ০৪ এপ্রিল ২০২৫ ১১:০৩ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ১৮ মার্চ ২০২৫ ০৩:৩১ অপরাহ্ণ

হাইকোর্টের নির্দেশ: লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্রের মেয়াদ না থাকলে ইটভাটা উচ্ছেদে ব্যবস্থা নেওয়া হবে


হাইকোর্টের নির্দেশ: লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্রের মেয়াদ না থাকলে ইটভাটা উচ্ছেদে ব্যবস্থা নেওয়া হবে


ঢাকা প্রেস নিউজ

 

অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করতে হাইকোর্টের আদেশে বলা হয়েছে, যদি ইটভাটার লাইসেন্স বা পরিবেশগত ছাড়পত্রের মেয়াদ না থাকে, তবে প্রশাসন তা উচ্ছেদ করতে বাধ্য থাকবে।
 

২০২২ সালে সারা দেশে লাইসেন্সবিহীন অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট পিটিশন দাখিল করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রুল জারি করে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। গত রোববার ইটভাটা মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আদালতের আদেশ সংশোধন চেয়ে আবেদন করা হয়।
 

মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চে এই আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির পর আদালত পূর্ববর্তী আদেশ সংশোধন করে অবৈধ ইটভাটার সংজ্ঞা স্পষ্ট করেন। আদেশে বলা হয়, "ড্রাম চিমনি ও ফিক্সড চিমনি সহ যেকোনো ধরনের ইটভাটার জন্য, যদি তা লাইসেন্স বা পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই পরিচালিত হয়, তবে সেটি অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।" আদালত আরও উল্লেখ করেন যে, যেভাবেই ইটভাটা পরিচালিত হোক না কেন, লাইসেন্স না থাকলে তা অবৈধ। আদালত পূর্ববর্তী আদেশে থাকা অপসারণ বা ধ্বংসের নির্দেশ বজায় রেখেছেন।
 

শুনানিতে ইটভাটা মালিক সমিতির পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এবং অ্যাডভোকেট কায়সার কামাল জানান, মালিক সমিতির অনেক সদস্যের জিগজ্যাগ পদ্ধতির ইটভাটা রয়েছে, যা এই আদেশের পরে ভাঙা হচ্ছে। তারা চান, এই পদ্ধতির ইটভাটা ভাঙা না হওয়ার জন্য সংশোধন করা হোক।
 

বাদী পক্ষের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, "আইন অনুযায়ী, লাইসেন্স না থাকলে ইটভাটা অবৈধ, সেটা যেভাবেই পরিচালিত হোক না কেন।"


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫