টেকনোক্র্যাট কোটায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হলেন আমিনুল হক
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক টেকনোক্র্যাট কোটায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসন থেকে পরাজিত হলেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর এই নেতা সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলেন।
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। টেকনোক্র্যাট কোটায় (সংসদ সদস্য না হয়েও) কোনো সাবেক ক্রীড়াবিদের মন্ত্রী হওয়ার ঘটনা এটি প্রথম। এর আগে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও আরিফ খান জয়ের পর তৃতীয় সাবেক ফুটবলার হিসেবে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন আমিনুল হক।
নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তিনি জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ–সমর্থিত প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিসভার মোট সদস্যের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ টেকনোক্র্যাট হতে পারেন—দলের প্রতি ত্যাগ, বিশেষ দক্ষতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এই কোটায় নিয়োগ দেওয়া হয়।
ক্রীড়াঙ্গনে নব্বইয়ের দশকে ফরাশগঞ্জ দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করে আবাহনী, মোহামেডান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের হয়ে খেলেছেন আমিনুল হক। ২০০৩ সালের SAFF Championship 2003 জয়ে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ২০১০ এসএ গেমসে জাতীয় দলের নেতৃত্ব দেন এই তারকা গোলরক্ষক। দীর্ঘ সময় দেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত ফুটবলার হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি।
খেলা থেকে অবসরের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে গত এক যুগের বেশি সময় ধরে মামলা, হামলা ও কারাবরণের মুখোমুখি হয়েছেন আমিনুল হক। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে তার ত্যাগ ও ক্রীড়াঙ্গনে গ্রহণযোগ্যতার স্বীকৃতি হিসেবেই টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তার নিয়োগকে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে সাদেক হোসেন খোকা, হারুনুর রশিদ, সালাম মুর্শেদী, মাশরাফি বিন মর্তুজা, নাজমুল হাসান পাপন ও সাকিব আল হাসানসহ অনেক ক্রীড়াবিদ সংসদ সদস্য হয়েছেন। তবে সংসদ সদস্য না হয়েই সরাসরি মন্ত্রীত্ব পাওয়ার নজির গড়লেন আমিনুল হক।
সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির | প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬