|
প্রিন্টের সময়কালঃ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:১৯ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৬:৪৬ অপরাহ্ণ

আপস মীমাংসায় গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকছুদার জামিন


আপস মীমাংসায় গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকছুদার জামিন


আদালত প্রতিবেদক

 

 

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। তবে একই মামলায় বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস-মীমাংসার পর তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।
 

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফায়েত উল্লাহ পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেন।
 

আদালতে মাকছুদার জামিন আবেদনে বলা হয়, মামলার বাদীপক্ষের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের আপস-মীমাংসা হয়েছে। তাদের জামিনে বাদীর কোনো আপত্তি নেই। শুনানির সময় বাদী নিজে আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত থেকে জামিনে সম্মতি জানান।
 

আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান বলেন, আপসের শর্তে গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের জামিন চাওয়া হয়েছিল। তাঁদের দাবি, দুই আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস হয়ে যাওয়ায় বাদীও জামিনে আপত্তি করেননি।
 

এর আগে সোমবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন দুই দফায় আট দিনের রিমান্ড শেষে গাজী নজরুল ইসলামকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
 

গত ২২ সেপ্টেম্বর একই মামলায় মাকছুদা ইসলামকে এক দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর মরিয়মের মামা ও নজরুলের মামাশ্বশুর ওবায়দুর রহমানকেও কারাগারে পাঠানো হয়।
 

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
 

পরে মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, মাকছুদা ইসলাম ও ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় তাঁর অভিযোগ, নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করায় মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন।
 

এর আগে গত ২০ জুলাই রাতে ঢাকার মগবাজারের একটি হোটেলে মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এক ফেসবুক পোস্টে নজরুল ইসলাম ওই তরুণীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির (সম্পাদক)     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার (প্রকাশক)
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০২, লেভেল #০২, মাহতাব সেন্টার , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ১৭৭ , বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬