তরুণদের সুরক্ষায় ই-সিগারেট ও তামাক প্রদর্শন নিষিদ্ধ ধারা বজায় রাখার আহ্বান
দেশের শীর্ষস্থানীয় তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সরকারের সিদ্ধান্তে, যা ই-সিগারেট এবং বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শনের নিষিদ্ধ ধারা অধ্যাদেশ থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তারা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং তরুণদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তির ঝুঁকি বাড়াবে।
সংগঠনগুলোর মতে, ই-সিগারেটের মতো নতুন ধরনের তামাকজাত পণ্য তরুণদের নিকোটিন আসক্তির “গেটওয়ে” হিসেবে কাজ করে। তদুপরি, বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শন শিশু ও কিশোরদের প্রলুব্ধ করে এবং ক্ষতিকর পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করে।
তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর পক্ষে রেজাউল করিম বলেন, “এই ধারা দুটি অধ্যাদেশ থেকে বাদ দিলে দেশের তামাক নিয়ন্ত্রণ অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে এবং কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী বিপণনের পথ সুগম হবে। জনস্বাস্থ্য এবং তরুণদের সুরক্ষা অবশ্যই সংকীর্ণ মুনাফার চেয়ে ঊর্ধ্বে থাকতে হবে।”
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমানও আহ্বান জানান, ধারা দুটি অবিলম্বে পুনরায় যুক্ত করার জন্য সরকার ও সংসদকে ব্যবস্থা নিতে হবে।
বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের কারণে বছরে প্রায় ২ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণ করছেন। স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর তামাক ব্যবহারের ক্ষতি বছরে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। এই ক্ষতির তুলনায় তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের পরিমাণ কম। বর্তমানে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৩৫.৩ শতাংশ তামাক ব্যবহার করছেন।
সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছেন– অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স (আত্মা), ঢাকা আহছানিয়া মিশন, ডরপ, নারী মৈত্রী, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, পিপিআরসি, তাবিনাজ এবং প্রজ্ঞা।
সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির | প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬