|
প্রিন্টের সময়কালঃ ২৫ মে ২০২৬ ০২:১৩ পূর্বাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ২৪ মে ২০২৬ ০২:৩৯ অপরাহ্ণ

নিরাপদ হাট ব্যবস্থাপনা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সর্বাত্মক ব্যবস্থা রয়েছে


নিরাপদ হাট ব্যবস্থাপনা ও জাল টাকা প্রতিরোধে সর্বাত্মক ব্যবস্থা রয়েছে


আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বেচাকেনা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

 

রোববার সকালে রাজধানীর দিয়াবাড়ী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

 

মন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে ব্যবসায়ী, খামারি ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জাল টাকা শনাক্ত করতে হাটে বিশেষ মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকিং সেবাও চালু রাখা হয়েছে, যাতে বিক্রেতারা নিরাপদে অর্থ জমা দিতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে নতুন হিসাব খুলে অর্থ সংরক্ষণ করতে পারেন।

 

তিনি বলেন, এ বছর দেশীয়ভাবে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। দেশের খামারি ও কৃষকরা পর্যাপ্ত সংখ্যক গরু, ছাগল ও মহিষ উৎপাদন করেছেন বলে জানান তিনি।

 

পশু চুরি বা হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বড় হাটগুলোতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক দল সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। হারিয়ে যাওয়া পশু উদ্ধারে মাইকিং, তদারকি এবং তাৎক্ষণিক সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই দ্রুত পশু উদ্ধার করে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

 

সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গবাদিপশু প্রবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অবৈধভাবে পশু প্রবেশ ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

পশুর দাম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের হাটগুলোতে পশুর গঠন, স্বাস্থ্য, আকৃতি ও বাহ্যিক মান বিবেচনায় দরদামের মাধ্যমে বেচাকেনা হয়। ফলে একই ধরনের পশুর দাম ভিন্ন হতে পারে। ভবিষ্যতে ধীরে ধীরে ওজনভিত্তিক বা “লাইভ ওয়েট” পদ্ধতিতে পশু বিক্রির সংস্কৃতি চালু হলে মূল্য নির্ধারণ আরও স্বচ্ছ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

তিনি আরও বলেন, বাজারে অসংখ্য বিক্রেতা ও ক্রেতা থাকায় কৃত্রিম সিন্ডিকেট গড়ে তোলা কঠিন। মূলত চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতেই পশুর দাম নির্ধারিত হয়।

 

এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬