|
প্রিন্টের সময়কালঃ ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ০১:৫২ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১১:১০ পূর্বাহ্ণ

বৈশাখী ঝড়ে লক্ষ্মীপুর উপকূলে জলাবদ্ধতা, নদী খননের জোরালো দাবি


বৈশাখী ঝড়ে লক্ষ্মীপুর উপকূলে জলাবদ্ধতা, নদী খননের জোরালো দাবি


লক্ষ্মীপুরের উপকূলীয় দুই উপজেলা রামগতি ও কমলনগর বৈশাখী ঝড় ও টানা বর্ষণের কবলে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত দুই দিনের অবিরাম বৃষ্টিতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম স্থবিরতা। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় নতুন করে পানিবন্দি হওয়ার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন হাজারো মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অল্প বৃষ্টিতেই এ অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। বিশেষ করে ভুলুয়া নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে হঠাৎ শুরু হওয়া কালবৈশাখীর তাণ্ডবে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দ্রুত নদী খনন না করা হলে বর্ষা মৌসুমে গত বছরের মতো আবারও ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, “দুই দিনের বৃষ্টিতেই উঠানে পানি জমে গেছে। নদীটি খনন না করা হলে এবার আমাদের সবকিছু ডুবে যাবে। সামনে কী অপেক্ষা করছে, তা আল্লাহই ভালো জানেন।”

শুধু বসতবাড়িই নয়, ঝুঁকিতে রয়েছে কৃষকের কষ্টে ফলানো ফসল। উপকূলীয় অঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও মাছের ঘেরও হুমকির মুখে পড়েছে। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সড়ক তলিয়ে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

খামারিরা জানান, টানা বৃষ্টিতে পশুপাখি ও মাছের ঘের রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পানি দ্রুত নেমে না গেলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

এদিকে উপকূলবাসীর দাবি, অকাল এই বর্ষণ আসন্ন দুর্যোগের আগাম বার্তা দিচ্ছে। তাই দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপে ভুলুয়া নদী খনন ও পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় চলতি মৌসুমেই বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬