|
প্রিন্টের সময়কালঃ ১২ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:২৩ পূর্বাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ২০ মে ২০২৬ ১২:১৪ অপরাহ্ণ

পুদিনা পাতা খাওয়া কতটা উপকারী?


পুদিনা পাতা খাওয়া কতটা উপকারী?


অনলাইন ডেস্ক

 

পুদিনা একটি পরিচিত ও জনপ্রিয় ভেষজ উদ্ভিদ, যা এশিয়া ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে ব্যাপকভাবে জন্মে। সুগন্ধি এই পাতাটি শুধু রান্না বা পানীয়ের স্বাদই বাড়ায় না, বরং এতে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদান শরীরের জন্যও বেশ উপকারী। চিকিৎসাবিজ্ঞানে পুদিনাকে অনেক সময় ‘জাদুকরী ভেষজ’ বলেও উল্লেখ করা হয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘হেলদি বিল্ডার্স’-এর এক প্রতিবেদনে পুদিনা পাতার বিভিন্ন উপকারিতার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
 

ওজন কমাতে সহায়ক
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুদিনা পাতা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এটি চিনিযুক্ত খাবারের প্রতি আকর্ষণ কমাতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দেয়। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। পাশাপাশি মুখে সতেজ অনুভূতিও এনে দেয়।

 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
পুদিনা পাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এটি শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুর দ্রুত পুনর্গঠনেও ভূমিকা রাখে। এছাড়া এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং হৃদ্‌রোগজনিত ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক।

 

মন ও শরীরকে সতেজ রাখে
পুদিনার তীব্র ও স্নিগ্ধ সুগন্ধ শরীর ও মনকে সতেজ করে তোলে। এর সুবাস মানসিক চাপ কমাতে এবং কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

 

হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
পুদিনা পাতা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম ও কপারের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদানের ভালো উৎস। এসব উপাদান হাড় মজবুত রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এতে থাকা ফসফরাসও হাড়ের সুস্থতায় ভূমিকা রাখে। আয়রন রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধেও সহায়ক।

 

প্রদাহ কমাতে কার্যকর
স্পিয়ারমিন্ট, পেপারমিন্ট ও চকোলেট মিন্টের মতো বিভিন্ন ধরনের পুদিনায় ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে, যা শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এটি পেশি ও অস্থিসন্ধির ব্যথা ও ফোলাভাব কমাতেও উপকারী হতে পারে।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির (সম্পাদক)     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার (প্রকাশক)
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০২, লেভেল #০২, মাহতাব সেন্টার , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ১৭৭ , বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬