|
প্রিন্টের সময়কালঃ ০১ জুলাই ২০২৬ ০৭:৪৭ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ০১ জুলাই ২০২৬ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ

ব্যর্থতার কারণ খুঁজছে জাপান, আবারও নকআউট পর্বেই থামল সামুরাই ব্লু


ব্যর্থতার কারণ খুঁজছে জাপান, আবারও নকআউট পর্বেই থামল সামুরাই ব্লু


স্পোর্টস ডেস্ক

 

উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত চলতি বিশ্বকাপে বড় প্রত্যাশা নিয়েই অংশ নিয়েছিল জাপান। টুর্নামেন্টের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ড ও ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছিল কোচ হাজিমে মরিয়াসুর দল। তবে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি এশিয়ার অন্যতম সেরা দলটি। নকআউট পর্বের বাধা পেরোতে ব্যর্থ হয়ে আবারও বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।
 

সোমবার রাতে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিল জাপান। কিন্তু ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে হজম করা গোলে স্বপ্নভঙ্গ হয় সামুরাই ব্লুদের। শেষ বাঁশি বাজার পর হতাশ কোচ হাজিমে মরিয়াসু ও খেলোয়াড়রা গ্যালারিতে থাকা সমর্থকদের সামনে মাথা নত করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
 

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জাপানের ব্যর্থতার ইতিহাস যেন বারবার একইভাবে ফিরে আসছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছিল তারা। পরে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে এগিয়ে থেকেও নির্ধারিত সময়ে সমতায় ফিরতে বাধ্য হয় জাপান। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের।
 

এরও আগে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছিল জাপান। বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে একসময় ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষদিকে টানা তিন গোল হজম করে নাটকীয়ভাবে বিদায় নেয় দলটি।
 

টানা তিনটি বিশ্বকাপেই নকআউট পর্বে হতাশাজনক বিদায়ের পর নিজেদের ব্যর্থতার কারণ বিশ্লেষণে নেমেছে জাপান। ম্যাচ শেষে কোচ হাজিমে মরিয়াসু বলেন, “আমি মনে করি না ইতিহাস আমাদের প্রতি সদয় হবে। তবে আজ যদি আমরা জয় পেতাম, তাহলে হয়তো একদিন ইতিহাস বদলে যেত।”

 


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬