|
প্রিন্টের সময়কালঃ ২৭ আগu ২০২৬ ০১:২১ অপরাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ২৭ আগu ২০২৬ ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ

নেপালে দ্বিতীয় দফায় জলোচ্ছ্বাসের সতর্কবার্তা


নেপালে দ্বিতীয় দফায় জলোচ্ছ্বাসের সতর্কবার্তা


অনলাইন ডেস্ক

 

নেপালে গত ১৪ মাসের মধ্যে একই এলাকায় দ্বিতীয়বারের মতো ভয়াবহ বন্যার ঘটনায় হিমবাহ ও তুষারক্ষেত্র থেকে সৃষ্ট আকস্মিক দুর্যোগের ঝুঁকি নতুন করে সামনে এসেছে। হিমালয় অঞ্চলে ক্রায়োস্ফিয়ারের পরিবর্তনের কারণে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক পর্বত উন্নয়ন সংস্থা ইসিমোড।
 

ইসিমোডের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিশেষজ্ঞ শাশ্বত সান্যাল বলেন, লেন্দে খোলায় গত ১৪ মাসে দুই দফা বন্যা হয়েছে। ক্রায়োস্ফিয়ারে সামান্য পরিবর্তন বা কোনো বিপজ্জনক পরিস্থিতি কীভাবে অল্প সময়ের মধ্যে লোকালয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করতে পারে, এটি তারই উদাহরণ।
 

সংস্থাটির সিনিয়র ক্রায়োস্ফিয়ার স্পেশালিস্ট মো. ফারুক আজম হিমালয় অঞ্চলের দেশগুলোকে আন্তঃসীমান্ত চরম দুর্যোগ মোকাবিলায় যৌথ ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
 

তিনি বলেন, ক্রায়োস্ফিয়ার-সম্পর্কিত বিপর্যয়ের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে এবং এর পরিবর্তনের গতি এত দ্রুত যে বিদ্যমান প্রস্তুতি ও উদ্যোগগুলো তা মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়। এ ধরনের আন্তঃসীমান্ত দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারগুলোর মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি।
 

এদিকে ভয়াবহ এই দুর্যোগে নেপাল সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সংহতি জানিয়েছেন ইসিমোডের মহাপরিচালক পেমা গ্যাম্তশো।
 

বর্তমানে বিজ্ঞানীরা স্যাটেলাইট, সিসমিক ও হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে উজানে সন্দেহভাজন বাধার স্থিতিশীলতা যাচাই করছেন। তবে ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদী অববাহিকার তীরবর্তী বাসিন্দাদের জন্য ঝুঁকি এখনো পুরোপুরি কেটে যায়নি বলে সতর্ক করেছে ইসিমোড।
 

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে এ পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ৪০৩ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
 

নেপালি পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ৬৪ জনের মরদেহ চিতওয়ান জেলার ভাটির দিকের বিভিন্ন এলাকা থেকে এবং ২৬ জনের মরদেহ নাওয়ালপরাসি ইস্ট এলাকায় উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে ২৮ জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
 

পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের পাশাপাশি সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার বন্যার ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতেও সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির (সম্পাদক)     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার (প্রকাশক)
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬