|
প্রিন্টের সময়কালঃ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:২৬ পূর্বাহ্ণ     |     প্রকাশকালঃ ২২ জানুয়ারি ২০২৪ ০১:২০ অপরাহ্ণ

কঙ্গনা রানাউতের অযোধ্যায় রামমন্দির পরিষ্কার


কঙ্গনা রানাউতের অযোধ্যায় রামমন্দির পরিষ্কার


ভারতের হিন্দু অধ্যুষিত উত্তর প্রদেশের শহর অযোধ্যায় আজ সোমবার উদ্বোধন হচ্ছে প্রায় ২ হাজার কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত রামমন্দির। এ উপলক্ষ্যে রোববারই সেখানে পৌঁছে গেছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। সেখানে তিনি যজ্ঞের পাশাপাশি ঝাড়ু হাতে মন্দিরও পরিষ্কার করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমনি একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে- যেখানে দেখা যায়, টিস্যুর শাড়ি পড়ে যজ্ঞে বসেছেন কঙ্গনা। এসময় তার গা ভর্তি ছিলো গহনায়। এরপর অভিনেত্রীকে ঝাড়ু হাতে মন্দির চত্বর পরিষ্কার করতেও দেখা যায়। তিনি ধুয়ে মুছে সাফ করেন মন্দির।

অযোধ্যা পৌঁছে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কঙ্গনা বলেন, যারা রামজন্মভূমিতে আসবেন, তারা পুণ্য লাভ করবেন। এটাই আমাদের দেশের সব থেকে বড় তীর্থক্ষেত্র। ঠিক যেমন ভ্যাটিক্যান সিটি।

তিনি বলেন, অযোধ্যাধাম আমাদের সকলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি ভাগ্যবতী যে, ভগবান শ্রীরাম এখানে তাকে পুজো দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। আবার এমন মূর্খ লোকেরাও রয়েছে, যারা এখানে আসবে না।

মন্দির পরিষ্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হনুমান মন্দির পরিষ্কার করলাম, কিন্তু যতটা চেয়েছিলাম পারলাম না। এত ভিড় ছিলো। নিশ্চয়ই পূর্বজন্মে কোনও পুণ্য করেছিলাম। তাই এমন সুযোগ পেলাম।

কঙ্গনার এই কর্মকাণ্ডকে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই তাকে "সত্যিকারের হিন্দু" হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

কঙ্গনা রানাউত একজন জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী। তিনি তার সাহসী ও সোচ্চার মন্তব্যের জন্য পরিচিত। তিনি হিন্দুত্বের একজন প্রবল সমর্থক। রামমন্দির নির্মাণে তিনি অর্থও দিয়েছেন।

রামমন্দির নির্মাণের বিষয়টি ভারতে একটি অত্যন্ত বিতর্কিত বিষয়। হিন্দুরা মনে করেন, এই জায়গাটিতেই রামদেব জন্মগ্রহণ করেছিলেন। মুসলমানরা মনে করেন, এই জায়গাটিতেই বাবরি মসজিদ ছিল। ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর এই বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২০১৯ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট রামমন্দির নির্মাণের রায় দেয়।


সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির (সম্পাদক)     |     প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার (প্রকাশক)
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০২, লেভেল #০২, মাহতাব সেন্টার , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ১৭৭ , বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ   +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ   +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬