জনগণের অধিকার আবার পিষ্ট করার পায়তারা চলছে: জামায়াত আমির
গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার না করায় সরকারের সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জনগণের অধিকার আবার পায়ের তলায় পিষ্ট করার পাঁয়তারা শুরু হয়েছে। সংসদে ফিরব। তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মুক্তির আন্দোলন গড়ে তুলবো। এই আন্দোলনে সরকার কিংবা যেকোনো কর্তৃপক্ষকে চুল পরিমাণ ছাড় দেবো না।
শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনে ত্রি-বার্ষিক জাতীয় সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, মালিকের ছেলে মালিক আর রাজার ছেলে রাজা হচ্ছে, শ্রমিকের ছেলে কেন মালিক প্রধানমন্ত্রী হবে না? জামায়াত চায়, আগামী প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকের ঘর থেকে আসুক।
জামায়াত আমির বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদের ৬২ শতাংশ ছিলেন শ্রমিক। মক্কায় মহানবী (সা.) এর ডান হাত হিসেবে ছিলেন শ্রমিকরা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধেও শ্রমিকরা ছিলেন সামনের সারিতে। নব্বইয়ের গণআন্দোলনেও শ্রমিকরা ছিলেন। অথচ রাষ্ট্রের কাছে শ্রমিক সমাজের প্রত্যাশা, দাবি ও চাহিদা খুবই মামুলি। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই সামান্যটুকু চাহিদাও তাদের এখন পর্যন্ত কোনো সরকারই পরিপূরণ করতে পারেনি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, যারা রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন, তারা ওই শ্রমিকদের মধ্য থেকে উঠে আসেননি। তারা সোনার চামচ হাতে নিয়ে জন্ম নিয়েছেন। তারা শ্রমিকদের দুঃখ বুঝবেন কীভাবে! তাদের বেশিরভাগই ব্যবসায়ী, মালিক। ব্যবসায়ী বা মালিক হওয়া অপরাধ নয়। কিন্তু তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানবিক মর্যাদা দিতে ব্যর্থ। শ্রমিক বাঁচলে মালিক বাঁচবে, শিল্প বাঁচবে। শ্রমিক যদি না বাঁচে শিল্পেরও মৃত্যু হবে।
শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সদ্য বিদায়ী সভাপতি আ ন ম শামুসল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জামায়াতের নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রমুখ বক্তব্য দেন। শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
সম্পাদকঃ সারোয়ার কবির | প্রকাশকঃ আমান উল্লাহ সরকার
যোগাযোগঃ স্যুইট # ০৬, লেভেল #০৯, ইস্টার্ন আরজু , শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ।
মোবাইলঃ +৮৮০ ১৭১১৩১৪১৫৬, টেলিফোনঃ +৮৮০ ২২২৬৬৬৫৫৩৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬