ব্যাগের মান ও আকার অনুযায়ী দাম ধরা হয়েছে ২০, ২৫, ৩০, ৩৫, ৭০ ও ৮০ টাকা।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
তিনি বলেন, পলিথিনের পরিবর্তে পাটের ব্যাগ ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। পরিবেশ রক্ষায় সরকার ভর্তুকি দিয়ে টেকসই, পুনঃব্যবহারযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব ব্যাগ সরবরাহ করছে। এ উদ্যোগ সফল করতে ভোক্তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বাজারে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন পাওয়া গেলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না—জব্দ ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং চলবে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, পলিথিনের ব্যবহার মাটি, পানি ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি তৈরি করছে। অন্যদিকে পাটের ব্যাগ টেকসই হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব বিকল্প। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে গৃহীত এ প্রকল্পের আওতায় টিসিবি ডিলার ও বাজারের বণিক সমিতির মাধ্যমে এসব ব্যাগ বিক্রি করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা এবং কারওয়ান বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা।
বক্তারা একযোগে বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে এখনই পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আজকের অঙ্গীকার—আর পলিথিন নয়, হাতে থাকবে পাটের ব্যাগ।