ডেস্ক রিপোর্ট:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী বা উপদেষ্টা পদে নিয়োগের সুপারিশসংবলিত একটি চিঠি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে একটি ব্যাখ্যামূলক বিবৃতি প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ড. মাহমুদুল হাসান বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে লেখা একটি চিঠি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পাঠান। পরবর্তীতে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও হস্তান্তর করেন।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, চিঠিটি বিরোধীদলীয় নেতার জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা ছিল। এতে ড. মাহমুদুল হাসানকে ‘বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করে তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চিঠিতে বিরোধীদলীয় নেতা স্বাক্ষর দিয়ে ড. মাহমুদুল হাসানের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে তাকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
চিঠির নিচে শুধুমাত্র বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষর রয়েছে বলেও জানায় মন্ত্রণালয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, বিরোধীদলীয় নেতা লিখিতভাবে সম্মতি দিলে চিঠিটির পূর্ণ পাঠ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে তারা প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, জামায়াতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে জানানো হয় যে উক্ত চিঠির বিষয়ে দলের আমির অবগত ছিলেন না। তবে এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এমন কোনো ফোনালাপ হয়নি।