তিন বছরে সব কৃষক পাবেন কৃষক কার্ড, এক বছরে দেওয়া হবে ৪৩ লাখ: পটিয়ায় কৃষিমন্ত্রী

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২০ জুলাই ২০২৬ ০১:৪৭ অপরাহ্ণ   |   ৫৭ বার পঠিত
তিন বছরে সব কৃষক পাবেন কৃষক কার্ড, এক বছরে দেওয়া হবে ৪৩ লাখ: পটিয়ায় কৃষিমন্ত্রী

আবদুল হাকিম রানা, দক্ষিণ চট্টগ্রাম:

 

 

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের কৃষকদের একটি সমন্বিত ডিজিটাল তথ্যভান্ডার গড়ে তুলতে সরকার অনলাইনে কৃষক কার্ড নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ৪৩ লাখ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রায় আড়াই কোটি থেকে ২ কোটি ৭০ লাখ কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

 

শুক্রবার (তারিখ) বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে কৃষক কার্ডের মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী জানান, বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে ৪৫ হাজার কৃষক কার্ড ইস্যু করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রকৃত কৃষকদের একটি নির্ভুল ও হালনাগাদ ডাটাবেজ তৈরি হবে। কৃষকদের দেওয়া সব তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষিত থাকবে। এর ফলে কৃষি ভর্তুকি, প্রণোদনা, উন্নতমানের বীজ ও সার, কৃষিঋণ, কৃষিযন্ত্র সহায়তা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা প্রকৃত কৃষকদের কাছে দ্রুত, সহজ ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

 

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও মতামত শোনেন।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম, চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক আপ্রু মারমা, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কোন চন্দ্র দে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ইলিয়াস, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তপন কুমার রায়, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

 

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, কৃষক কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষকের জমির পরিমাণ, চাষাবাদের ধরন, উৎপাদিত ফসলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এ তথ্যভান্ডারের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে সরকারি সহায়তা, প্রণোদনা এবং কৃষি উন্নয়ন কর্মসূচি আরও কার্যকর ও লক্ষ্যভিত্তিকভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।