শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এই সম্মেলনের আয়োজন করে দৈনিক বণিক বার্তা।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আন্দোলনটি রাজনৈতিকভাবে গণঅভ্যুত্থান হিসেবে চিহ্নিত হলেও এর মূল শক্তি ছিল জনগণের সার্বিক উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার অভিলাষ।
বর্তমান সময়ে দেশের দুইটি বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি বলেন—
কর্মসংস্থান সৃষ্টি,
মেট্রোপলিটন শহরগুলোর উঠতি মধ্যবিত্তের জীবন-জীবিকার সুরাহা।
স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মৌলিক সেবায় ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করা আজ সময়ের দাবি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
নতুন রাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনের ক্ষেত্রে গণপরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রবাসীরা দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। কিন্তু ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা এবং সুশাসন ও দুর্নীতি দমন ছাড়া উন্নয়ন টেকসই হবে না।”
তিনি আরও বলেন, সমাজে যদি ফ্যাসিবাদী মনোভাব বিদ্যমান থাকে, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব হবে না। স্থিতিশীলতা না থাকলে কোনও সংস্কার কিংবা উন্নয়ন দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
অর্থ পাচার বিষয়ে তিনি জানান, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে এ ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।