হানিমুন ভ্রমণ ছিল জীবনের বিশেষ অভিজ্ঞতা, জানালেন নীলা

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ০২ জুলাই ২০২৬ ০১:৩৭ অপরাহ্ণ   |   ৪২ বার পঠিত
হানিমুন ভ্রমণ ছিল জীবনের বিশেষ অভিজ্ঞতা, জানালেন নীলা

মো: আমিনুল ইসলাম

 

বিয়ের পর শ্রীলঙ্কায় কাটানো হানিমুনকে জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী নীলা। তার ভাষায়, এই সফর শুধু ঘুরে বেড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি ছিল নিজেদের আরও কাছ থেকে আবিষ্কারের এক অনন্য যাত্রা।
 

নীলা জানান, ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেছেন। তবে শ্রীলঙ্কা সফর ছিল একেবারেই ভিন্ন। এই ভ্রমণের প্রতিটি মুহূর্ত তার মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।

 


 

তিনি বলেন, তাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল সমুদ্রঘেরা গল শহর থেকে। ঐতিহাসিক গল ডাচ ফোর্টের প্রাচীন স্থাপত্য, শতবর্ষী পাথরের দেয়াল এবং নীল সমুদ্রের সৌন্দর্য তাকে মুগ্ধ করেছে। সন্ধ্যার আলোয় দুর্গের পরিবেশ যেন ইতিহাসের এক জীবন্ত অনুভূতি তৈরি করেছিল।
 

গল শহরের পুরোনো রাস্তায় হাঁটার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন নীলা। তার মতে, সমুদ্রের বাতাস আর ঐতিহাসিক পরিবেশ মানুষকে নিজের ভেতর নতুনভাবে ফিরে তাকানোর সুযোগ করে দেয়। অনেক সময় ভ্রমণ শুধু নতুন জায়গা দেখায় না, বরং নিজেকেও নতুনভাবে চিনতে শেখায়।
 

পরে তারা যান শ্রীলঙ্কার জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত মিরিসায়। সেখানে খোলা আকাশ, বিস্তীর্ণ সমুদ্র আর ভোরের সূর্যোদয় তাদের সফরকে আরও বিশেষ করে তোলে। যদিও ডলফিন দেখার পরিকল্পনা ছিল, তবু সমুদ্রের নীরবতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই তার মনে সবচেয়ে বেশি দাগ কেটেছে।
 

সফরের একটি বড় অংশ কেটেছে দীর্ঘ সড়কপথে। পাহাড়, কুয়াশা, বৃষ্টিভেজা প্রকৃতি আর জানালার বাইরে বদলে যাওয়া দৃশ্য উপভোগ করতে করতেই কেটেছে অনেকটা সময়। নীলার ভাষায়, সবকিছু পরিকল্পনামাফিক না হলেও পুরো সফরটি ছিল পরিপূর্ণ।
 

তিনি বলেন, দেশে ফেরার পরও শ্রীলঙ্কার অনেক স্মৃতি তার মনে রয়ে গেছে। সমুদ্রের গর্জন, গল ডাচ ফোর্টের ঐতিহাসিক আবহ কিংবা মিরিসার ভোর—সবই এখনও তাকে টানে।
 

একই সঙ্গে দেশের পর্যটন নিয়েও কথা বলেন নীলা। তিনি মনে করেন, বিদেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও অসংখ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে, যেখানে প্রকৃতির সান্নিধ্যে প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া যায়। বিশেষ করে কক্সবাজারের প্রতি তার আলাদা ভালো লাগার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সুযোগ পেলেই সেখানে আবার যেতে ইচ্ছা করে।