রোববার (২৬ জানুয়ারি) বরিশাল মহানগর দায়রা জজ আদালত তার স্থায়ী জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।
দুদকের মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, শাহ-আলম বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলায় থ্রি-হুইলার ও ১১শ মিনি ট্রাকসহ বিপুলসংখ্যক যানবাহনের ভুয়া ও অনিয়মতান্ত্রিক রেজিস্ট্রেশন প্রদান করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রায় ১ হাজার ২০০ অবৈধ যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন অনুমোদন দেন।
দুদক সূত্রে জানা যায়, অবৈধ যানবাহন রেজিস্ট্রেশন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছর শাহ-আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএতে দায়িত্ব পালনকালে এবং এর আগে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে কর্মরত থাকাকালে তিনি বিপুলসংখ্যক অবৈধ রেজিস্ট্রেশন প্রদান করেন।
এছাড়া ২০২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদানের পর মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে অন্তত ২৫৫টি যানবাহনের অনিয়মতান্ত্রিক রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে বিআরটিএ’র উপপরিচালক (প্রশাসন), ঢাকা কার্যালয় থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, তদন্ত চলাকালেও তিনি অবৈধ রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন।
তদন্তে আরও উঠে আসে, ২০২২ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে তিনি চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার ঠিকানাভুক্ত মালিকদের নামে বরিশাল সিরিজে অন্তত আরও ৮৯টি অবৈধ রেজিস্ট্রেশন প্রদান করেন, যা বিআরটিএ’র আইন ও অফিস আদেশের পরিপন্থী।
উল্লেখ্য, দুদকের করা মামলায় শাহ-আলম আগে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।