সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদসহ জেলার বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা। কর্মসূচিতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিপুলসংখ্যক সংবাদকর্মী অংশ নেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ও কুল্যা এলাকায় অবৈধভাবে অন্তত ২৬টি নকল ও ভেজাল সারের গোডাউন গড়ে তুলেছেন কুল্যা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মাজেদ গাজী। তার স্ত্রী ও দুই পুত্রের নামে বিএডিসি ও বিসিআইসির পাঁচটি লাইসেন্স ব্যবহার করে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অনিয়ম ও ভেজাল সার ব্যবসা নিয়ে অনুসন্ধান চালাতে গেলে যমুনা টিভির সাংবাদিক আকরামুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ভাঙচুর করা হয় বলে জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, জেলায় শুধু ভেজাল সার সরবরাহই নয়, সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে। এ অনিয়মে কৃষি বিভাগের একটি অংশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলা হয়। গত ১৫ জানুয়ারি হামলার ঘটনা ঘটলেও এখনো অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউপি সদস্য মাজেদ গাজী ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং নকল সার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে জেলার সব সাংবাদিককে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। প্রয়োজনে সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণাও দেন তারা।