স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রশিদাবাদ গ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশ দিয়ে যাওয়া সড়কটি ব্যবহার করে তারা প্রতিদিন স্কুল ও আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করতেন। সম্প্রতি রাতের আঁধারে সড়কটি কেটে ফেলার পর থেকে তাদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময়ে কাদা মাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে।
ভুক্তভোগী আবদুল ছগির এ বিষয়ে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। পরে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহবুব কবীর বলেন, ‘এটি একটি সড়ক ছিল। এর কিছু অংশ সরকারি উদ্যোগে উন্নয়নও করা হয়েছে। এখন সড়কটি কেটে দেওয়ায় সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।’
শোভনদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম বলেন, বিষয়টি তিনি সরেজমিনে তদন্ত করেছেন। তাঁর ভাষ্য, এটি পুরোনো একটি সড়ক। সড়কটির অবস্থান ও জমির মালিকানা নিশ্চিত করতে পরিষদের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাপজোখ করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তবে সড়ক কাটার অভিযোগ ওঠা মুন্সি মিয়া দাবি করেন, এটি সরকারি সিটের রাস্তা নয়; বরং তাঁর ব্যক্তিগত জমি। তাই তিনি সড়কটি কেটে দিয়েছেন। মাপজোখে যদি এটি সড়ক হিসেবে প্রমাণিত হয়, তাহলে তিনি জায়গাটি ছেড়ে দেবেন বলেও জানান।
এদিকে সড়ক কেটে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। দ্রুত মাপজোখ ও তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে তারা শোভনদণ্ডী ইউপি চেয়ারম্যান, পটিয়ার ইউএনও এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনামের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।