খাগড়াছড়িতে এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে ধান চাষের উপকরণ বিতরণ

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:১০ অপরাহ্ণ   |   ১৫৭ বার পঠিত
খাগড়াছড়িতে এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে ধান চাষের উপকরণ বিতরণ

ছোটন বিশ্বাস, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:


 

খাগড়াছড়িতে এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে জেলার চারটি উপজেলায় কৃষকদের মাঝে ধান চাষের বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির বাস্তবায়নে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

 


 

ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের আওতায় খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা, গুইমারা, মানিকছড়ি ও রামগড়—এই চার উপজেলায় ২৫ একর জমিতে প্রায়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়নের লক্ষ্যে ২৫ জন কৃষকের মাঝে ধান চাষের প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণ করা হয়।

 


 

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) আঞ্চলিক কার্যালয়, খাগড়াছড়ির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর ওবায়দুর রহমান শাওনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় খাগড়াছড়ির মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান মো. সিরাজুল ইসলাম।
 

বিতরণকৃত কৃষি উপকরণের মধ্যে ছিল ইউরিয়া, এমওপি, ডিএপি, জিপসাম, জিংক সালফেট, কীটনাশক, ছত্রাকনাশকসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য উপকরণ ও সাইনবোর্ড।
 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বোরো মৌসুমে পাহাড়ি অঞ্চলে চাষাবাদের জন্য ব্রি উদ্ভাবিত ব্রি ধান–১০০, ব্রি ধান–১০২, ব্রি ধান–১০৪, ব্রি ধান–১০৮ ও ব্রি ধান–১১৪ অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও উচ্চ ফলনশীল আধুনিক জাত। সঠিক সময় ও নিয়ম মেনে রোপণ এবং প্রয়োজনীয় পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা উল্লেখযোগ্য ফলন পেতে সক্ষম হবেন।
 

তিনি আরও বলেন, ধানের উৎপাদন টেকসই রাখতে ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধে কৃষকদের সচেতন হওয়া জরুরি। এ রোগ দমনে ওষুধ প্রয়োগের সময় ও পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক মাত্রা ও নিয়ম মেনে ওষুধ প্রয়োগ করলে ব্লাস্ট রোগের ক্ষতি থেকে ধানকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব।
 

কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা সভাপতিত্ব করেন। এতে সহযোগিতা করে খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকরা এ ধরনের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান।