আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নুরুল হক নুরকে শোকজ

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ   |   ৩৯ বার পঠিত
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নুরুল হক নুরকে শোকজ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচনী অপরাধের অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এই নোটিশ জারি করেছে।

বৃহস্পতিবার সংসদীয় আসন-১১৩, পটুয়াখালী-৩-এর অস্থায়ী কার্যালয়ের পক্ষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাব্বির মো. খালিদ এই নোটিশে স্বাক্ষর করেন। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে নুরুকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিবরণ নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, নুরুর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসান মামুন সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। এটি সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা-২০২৫ এর ১৫(ক) এবং ১৬(গ) ও (ছ) বিধির লঙ্ঘন। এ ছাড়া গত ২৬ জানুয়ারি দশমিনা উপজেলার চরবোরহান এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও কর্মীদের আহত করার অভিযোগও আনা হয়েছে নুরুর অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

আসনটির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন দলটির সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা মো. হাসান মামুন। তবে জোট সমঝোতার কারণে নুরুল হক নুরকে সমর্থন দেওয়ায় বিএনপি এখানে কোনো প্রার্থী দেয়নি। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। বর্তমানে নুর ‘ট্রাক’ এবং মামুন ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন।

স্থানীয় বিএনপির একটি বড় অংশ এখনো হাসান মামুনের পক্ষে থাকায় আসনটিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ১৭ জানুয়ারি নুরুর পক্ষে কাজ না করার অভিযোগে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা এবং পৌর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। প্রচারণার শুরু থেকেই দুই প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও অফিস ভাঙচুরের দাবি করে আসছেন।