শনিবার বিকেলে যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল বিকেল ৩টায় বিএনপির সঙ্গে, সাড়ে ৪টায় জামায়াতের সঙ্গে এবং সন্ধ্যা ৬টায় এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠকে নির্বাচন ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে।’
প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের নেতৃত্বে শনিবার যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে কয়েকজন উপদেষ্টার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান ও স্বরাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ সহকারী খোদা বখস চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি এটি অন্তর্বর্তী সরকারের অঙ্গীকার। নির্বাচন বিলম্বিত বা ব্যাহত করার যে কোনো ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। জনগণের ইচ্ছাই জয়ী হবে, কোনো অশুভ শক্তিকে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে দেওয়া হবে না।
রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, ‘আপনারা পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান দেখুন। গত বছরের সঙ্গে তুলনা করলে বুঝবেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হয়নি। নিয়মিত তথ্য দিতে পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের মতো যথেষ্ট পরিবেশ রয়েছে।’
এছাড়া শুক্রবার রাতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা নুরের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে দেশের বাইরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি ফোনে নুরের সঙ্গে কথা বলে সমবেদনা জানিয়েছেন এবং হামলার নিন্দা করেছেন।’