শেষ মুহূর্তের গোলে পানামাকে কাঁদিয়ে ঘানার উল্লাস

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১৮ জুন ২০২৬ ১২:০৭ অপরাহ্ণ   |   ৩৮ বার পঠিত
শেষ মুহূর্তের গোলে পানামাকে কাঁদিয়ে ঘানার উল্লাস

বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল পানামা। ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আফ্রিকার শক্তিশালী দল ঘানাকে রুখে দিয়ে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপ পয়েন্টের স্বপ্ন দেখছিল তারা। কিন্তু ফুটবলের নিষ্ঠুর বাস্তবতা তাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে দিল যোগ করা সময়ের শেষ আক্রমণে।

 

টরন্টোতে অনুষ্ঠিত ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচে ৯৫তম মিনিটে কালেব ইয়েরেঙ্কির গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় ঘানা। আট বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা আফ্রিকান দলটি এভাবেই নাটকীয় এক জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল।

 

ম্যাচের অধিকাংশ সময়ই নিয়ন্ত্রণ ছিল পানামার হাতে। ৬২ শতাংশ বলের দখল ধরে রাখার পাশাপাশি তারা নেয় ১১টি শট। বিপরীতে ঘানা শট নেয় মাত্র আটটি। তবে সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি মধ্য আমেরিকার দেশটি।

 

পানামার হতাশার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ান ঘানার বদলি গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে। বিরতির পর মাঠে নেমে তিনি একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। বিশেষ করে বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া দুটি শট ফিরিয়ে দিয়ে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। প্রথমার্ধে কয়েকটি সংঘর্ষে চোট পাওয়ার পর মূল গোলরক্ষক আতি জিগি মাঠ ছাড়লে তার জায়গায় নামেন আসারে।

 

ম্যাচের প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগও তৈরি করেছিল পানামা। দ্বিতীয় মিনিটে আমির মুরিলোর নিচু ক্রস থেকে সিসিলিও ওয়াটারম্যানের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন জিগি।

 

যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছে, তখনই আসে নাটকীয় মুহূর্ত। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে এসে গোলমুখে বল বাড়ান। সেখানে সুযোগসন্ধানী কালেব ইয়েরেঙ্কি কাছ থেকে জালে বল জড়িয়ে ঘানাকে এনে দেন মূল্যবান তিন পয়েন্ট।

 

উল্লেখ্য, এই ম্যাচে মিডফিল্ডার থমাস পার্টিকে ছাড়াই মাঠে নামে ঘানা। ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত এই ফুটবলার কানাডার ভিসা না পাওয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি।

 

শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়েও শূন্য হাতে মাঠ ছাড়তে হয় পানামাকে, আর শেষ মুহূর্তের গোলের সুবাদে উল্লাসে ভাসে ঘানা।