পুলিশ জানায়, সোমবার রাত ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাফলংয়ের ‘প্রজাপতি রিসোর্টে’ অভিযান চালানো হয়। গোয়াইনঘাট থানার এসআই রাজিব রায়ের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাফলং সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ওই নারীকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে রিসোর্টটিতে অবস্থান করছিলেন অভিযুক্তরা। অভিযোগ রয়েছে, তাঁকে চার লাখ টাকার বিনিময়ে ভারতে বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার আওলাতলী গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে ও ভুক্তভোগীর স্বামী আশিকুর রহমান, নিশ্চাম গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম, পালগাঁও গ্রামের মোনছের আলীর ছেলে কাওছার এবং গোবুদিয়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে সাগর মিয়া।
উদ্ধারের পর ভুক্তভোগী খুকি আক্তার মীম বাদী হয়ে সোমবার রাতে গোয়াইনঘাট থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করেন।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা এক নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় মানব পাচারসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার চারজনকে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।