রাজধানীর আশকোনার হাজি ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার বলেছেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ করা গেলে ভবিষ্যতে হজের মোট খরচ ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনা সম্ভব।
শনিবার সকালে হজযাত্রার সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরতে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হাব সভাপতি জানান, ২০২৭ সালের মধ্যে বিমানের টিকিটের মূল্য কমে প্রায় ১ লাখ টাকায় নেমে আসতে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে অতিরিক্ত খরচ ও দালালচক্রের প্রভাব কমানো গেলে হজ পালনের সামগ্রিক ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, সীমিত সময়ের মধ্যে মোয়াল্লেম চুক্তি, বাড়ি ভাড়া, পরিবহন ব্যবস্থা এবং তাঁবু নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে নানা চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত সব কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নানা প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও ধর্ম মন্ত্রণালয়, হজ অফিস ও হাবের সহযোগিতায় এবারের হজ ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে।
গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করে।
হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন বাংলাদেশি হজ পালন করবেন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবে যাচ্ছেন।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হজ শেষে আগামী ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে এবং ৩০ জুন শেষ ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবে।