গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৫:২৭ অপরাহ্ণ   |   ৪৩ বার পঠিত
গাজী নজরুল দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন এ আদেশ দেন।
 

এর আগে প্রথম দফার চার দিনের রিমান্ড শেষে গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
 

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
 

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে ডিবির একটি সাদা গাড়িতে করে গাজী নজরুল ইসলামকে আদালতে আনা হয়। পরে তাঁকে হাজতখানায় রাখা হয়। শুনানির সময় তিনি আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। আসামিপক্ষ রিমান্ড আবেদন বাতিল করে তাঁর জামিনের আবেদন করে। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে বিকেল ৪টা ৪৭ মিনিটে রিমান্ডের আদেশ দেন বিচারক।
 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
 

পরে মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
 

পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই রাতেই মামলাটির তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
 

রিমান্ড শেষে গত ২২ সেপ্টেম্বর মাকছুদা বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়। আর গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম দফার চার দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার তাঁকে পুনরায় আদালতে হাজির করে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড আবেদন করা হয়।
 

এদিকে মামলার তৃতীয় আসামি ওবায়দুর রহমানকে বুধবার ঢাকার বাইরে থেকে এসআরবি-২ গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।