পটিয়ায় দুর্গোৎসব ঘিরে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলামের

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ০২:৩৮ অপরাহ্ণ   |   ৫৮ বার পঠিত
পটিয়ায় দুর্গোৎসব ঘিরে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলামের

আবদুল হাকিম রানা, দক্ষিণ চট্টগ্রাম:

 

শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় সম্প্রীতি, শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতাসহ সর্বস্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী।
 

তিনি বলেন, দুর্গোৎসবকে ঘিরে কোথাও যেন ধর্মীয় বিভেদ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা কিংবা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও দায়িত্বশীল থাকতে হবে। উৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ভাগাভাগি করে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
 

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে চট্টগ্রামের পটিয়া থানা পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
 

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন উপপরিদর্শক ক্য লাহ চিং মারমা।
 

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য বদরুল খায়ের চৌধুরী ও শফিকুল ইসলাম, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুল আলম।
 

এতে বক্তব্য দেন পটিয়া ট্রাফিক জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. আমীর ফারুক, কালারপুল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক নাহিদ হাসান মৃধা, পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা তাপস কুমার দে, শ্যামল কান্তি দে, দিলীপ কুমার দিপু ও পুলক চৌধুরী।
 

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হাসান, পটিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইয়াসিন আরাফাত, সদস্যসচিব অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম নয়ন এবং সদস্য নিখিল দে ও মান্না দেসহ অন্যরা।
 

সভায় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে, গুজব ছড়িয়ে কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো তৎপরতা কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়।
 

বক্তারা বলেন, ধর্মীয় উৎসব সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করার গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তাই উৎসবকে কেন্দ্র করে কোনো মহল যেন উসকানি দিয়ে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে পুলিশ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ এবং স্থানীয় জনগণকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।