রাজীবপুরে প্রান্তিক খামারিদের মাঝে উন্নত জাতের মোরগ-মুরগি বিতরণ

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ০৬:৫০ অপরাহ্ণ   |   ৫৫ বার পঠিত
রাজীবপুরে প্রান্তিক খামারিদের মাঝে উন্নত জাতের মোরগ-মুরগি বিতরণ

মোখলেছুর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম):

 

কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলায় প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত খামারিদের স্বাবলম্বী করতে প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও উপজেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে উন্নত জাতের মোরগ-মুরগি বিতরণ করা হয়েছে।
 

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজীবপুর উপজেলা ভেটেরিনারি হাসপাতাল চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী ও নদীবিধৌত চরাঞ্চলের ৮৬টি এলাকার ১৯৯ জন উপকারভোগীর মাঝে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (আইএলডিপি)-এর আওতায় মোরগ-মুরগি বিতরণ করা হয়।
 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিপ্লব কুমার সরকার। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মাহাবুর আলম, আইএলডিপি প্রকল্পের সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মো. শামসুর রহমান সুমন, এলএফএফ মুকুল মিয়া, এলএসপি মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
 

অনুষ্ঠানে ডা. বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, মুরগি পালন গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সহজ ও লাভজনক আয়মুখী কার্যক্রম। এ উদ্যোগের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টির চাহিদা পূরণসহ আর্থ-সামাজিক বৈষম্য হ্রাস সম্ভব হবে। তিনি বলেন, যে দেশের মানুষ যত বেশি ডিম খায়, সে দেশের মানুষ তত বেশি মেধাবী—তাই ডিম গ্রহণে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। ভবিষ্যতেও প্রশিক্ষণ, টিকাদান ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে খামারিদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।
 

ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মাহাবুর আলম বলেন, মুরগির বাচ্চা জন্মের ১ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিসিআরডিভি ভ্যাকসিন প্রদান করলে অধিকাংশ রোগ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। তিনি আরও বলেন, হাঁস-মুরগি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সরাসরি নগদ আয়ের একটি কার্যকর উৎস, যা ‘লিভিং ব্যাংক’ হিসেবে কাজ করে।
 

মোরগ-মুরগি পেয়ে উপকারভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এ সহায়তা তাদের জীবনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং সংসারের আর্থিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।