সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

  প্রিন্ট করুন   প্রকাশকালঃ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:৪৮ অপরাহ্ণ   |   ৪৩ বার পঠিত
সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি:


 

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল মুনসুরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
 

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাদ আসর সীতাকুণ্ড সরকারি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বাংলাদেশ পুলিশের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম।
 

আবুল মুনসুরের জানাজায় দলমত–নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
 

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মুনসুর সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
 

তিনি সীতাকুণ্ড উপজেলার ১ নম্বর সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সৈয়দপুর গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন ও বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি, সীতাকুণ্ড পৌর বিএনপির সাবেক মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক এবং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
 

এ ছাড়া সীতাকুণ্ড পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আবুল মুনসুর।
 

তাঁর জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব লায়ন মো. আসলাম চৌধুরী এফসিএ, উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. মোরসালিন, কাজী মহিউদ্দিন, ডা. কমল কদর, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সদস্যসচিব ছালে আহমেদ ছলু, ইউসুফ নিজামী, ফজলুল করিম চৌধুরী, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট সারওয়ার হোসেন লাভলু, জামায়াতের সাবেক আমির তৌহিদুল হক চৌধুরী, সাব-রেজিস্ট্রার রায়হান হাবীব, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল কাসেম, ডেপুটি কমান্ডার মহরম আলী, আব্দুল মান্নান মাস্টার ও মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন ফারুক।
 

এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।